ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পত্নীতলা শংকরপুর গ্রামের বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী রায়হান আলীর আ,ত্মহ,ত্যা, লা,শ দেশে ফিরানো নিয়ে অনিশ্চিত।

পত্নীতলা শংকরপুর গ্রামের বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী রায়হান আলীর আ,ত্মহ,ত্যা, লা,শ দেশে ফিরানো নিয়ে অনিশ্চিত।

পত্নীতলা আকবারপুর ইউনয়নের শংকরপুর গ্রামের বাসিন্দা সৌদি প্রবাসি রায়হান(২৮) আত্মহত্যা করাই ঘটনার ১১ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরেও লাশ দেশে ফিরানো নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়াই,থামছেনা কিছুতেই বাবা মায়ের আহাজারি।

ঘটনার সুত্রে জানা যায়, শংকরপুর গ্রামের মজিদ মিয়ার একমাত্র সন্তান রায়হান আলী। বাবা মায়ের,স্ত্রী ৬ মাসের ছেলে, ও একটি বোনের ভোরন পোষন নিজের কাধেঁ নিবে এ স্বপ্ন নিয়ে ২ বছর আাগে, দালাল কম্পানির পাল্লায় পড়ে সৌদি আরবে পাড়ি জমান।
বাবা মজিদ মিয়া বিভিন্ন এনজিও থেকে টাকা লোন নিয়ে এক মাত্র সন্তান রায়হান আলী সৌদি আরবে পাঠন। দৌদি আরবে গিয়ে দেখেন সে কম্পানির কোন অস্তিত্ব নেই। কর্ম না পেয়ে হতাশা হয়ে পড়েন এবং পাওনাদার দের প্রতি নিহিত প্রবল চাপ সহিতে না পারায় আত্মহত্যার পথ বেচে নিতে পারে বলে ধারনা করেন গ্রামবাসি।

সৌদি আইন অনুযায়ী কোন প্রবাসী আত্মহত্যা করলে , নিজ খরচে বহন করতে হবে প্রবাসীর লাস। কিন্ত মৃতু রায়হান আলী পরিবার বসবাস করে শংকরপুর গ্রামের পুকুর পাড়ে খাঁশ জমিতে, মৃতু রায়হান আলীর বাবা ভূমিহীন অসহায় দিনমজুর। একমাত্র সন্তানের লাস দেশে ফিরে আনার কোন সামর্থ্য নেই। এমন টাই জানালেন এলাকা বাসির।

মৃত রয়হান আলীর লাশ সরকারি খরচে ফিরে আনার এবং সাথে সেই কম্পনানির দালালের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবি জানান স্থানীয় ও গ্রামবাসী।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পত্নীতলা শংকরপুর গ্রামের বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী রায়হান আলীর আ,ত্মহ,ত্যা, লা,শ দেশে ফিরানো নিয়ে অনিশ্চিত।

আপডেট সময় : ০৬:৫০:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

পত্নীতলা আকবারপুর ইউনয়নের শংকরপুর গ্রামের বাসিন্দা সৌদি প্রবাসি রায়হান(২৮) আত্মহত্যা করাই ঘটনার ১১ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরেও লাশ দেশে ফিরানো নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়াই,থামছেনা কিছুতেই বাবা মায়ের আহাজারি।

ঘটনার সুত্রে জানা যায়, শংকরপুর গ্রামের মজিদ মিয়ার একমাত্র সন্তান রায়হান আলী। বাবা মায়ের,স্ত্রী ৬ মাসের ছেলে, ও একটি বোনের ভোরন পোষন নিজের কাধেঁ নিবে এ স্বপ্ন নিয়ে ২ বছর আাগে, দালাল কম্পানির পাল্লায় পড়ে সৌদি আরবে পাড়ি জমান।
বাবা মজিদ মিয়া বিভিন্ন এনজিও থেকে টাকা লোন নিয়ে এক মাত্র সন্তান রায়হান আলী সৌদি আরবে পাঠন। দৌদি আরবে গিয়ে দেখেন সে কম্পানির কোন অস্তিত্ব নেই। কর্ম না পেয়ে হতাশা হয়ে পড়েন এবং পাওনাদার দের প্রতি নিহিত প্রবল চাপ সহিতে না পারায় আত্মহত্যার পথ বেচে নিতে পারে বলে ধারনা করেন গ্রামবাসি।

সৌদি আইন অনুযায়ী কোন প্রবাসী আত্মহত্যা করলে , নিজ খরচে বহন করতে হবে প্রবাসীর লাস। কিন্ত মৃতু রায়হান আলী পরিবার বসবাস করে শংকরপুর গ্রামের পুকুর পাড়ে খাঁশ জমিতে, মৃতু রায়হান আলীর বাবা ভূমিহীন অসহায় দিনমজুর। একমাত্র সন্তানের লাস দেশে ফিরে আনার কোন সামর্থ্য নেই। এমন টাই জানালেন এলাকা বাসির।

মৃত রয়হান আলীর লাশ সরকারি খরচে ফিরে আনার এবং সাথে সেই কম্পনানির দালালের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবি জানান স্থানীয় ও গ্রামবাসী।