ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোণায় প্রেমে ব্যর্থ হয়ে যুবরাজ নামে এক যুবকের আত্মহত্যা

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে যুবরাজ চন্দ্র তালুকদার (২২) নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। গত শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে পৌর শহরের আখড়া রোডে এই ঘটনা ঘটে। রবিবার (৫ এপ্রিল) মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। যুবরাজ সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর উপজেলার মদনাকান্দি গ্রামের দেবল চন্দ্র তালুকদারের ছেলে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ পৌর শহরের কাচারি রোডের ব্যবসায়ী সুফল পালের মুদিদোকানে দেড় বছর ধরে কর্মচারীর কাজ করতেন যুবরাজ। শনিবার বিকেল ৪টার দিকে একটি ভ্যান নিয়ে আখড়া রোডের গুদামে মালামাল আনতে যান তিনি। দীর্ঘ সময় পার হলেও ফেরত আসেননি যুবরাজ। পরে সাড়ে ৫টার দিকে দোকানমালিক গিয়ে দেখেন, গুদামের ভেতর আড়ার সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলে আছেন যুবরাজ। খবর দেওয়া হলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এদিকে মৃত্যুর পর যুবরাজের স্মার্টফোন থেকে তাঁর বন্ধুদের কাছে পাঠানো অসংখ্য খুদে বার্তা পাওয়া গেছে, যেগুলোর মাধ্যমে এক মেয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কে বিচ্ছেদ হওয়ার বিষয়টি জানা যায়। এই কষ্টে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলেও ইঙ্গিত রয়েছে।

 

ওসি হাফিজুল ইসলাম বলেন, মৃত্যুর আগে যুবরাজ কোনো এক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছেদ হওয়ার বিষয়ে তাঁর বন্ধুদের অসংখ্য মেসেজ দিয়েছেন। এ নিয়ে তাঁর মনে অনেক কষ্ট ছিল। সুরতহাল প্রতিবেদনে তাঁর শরীরে অন্য কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। আলামত দেখে এটিকে আত্মহত্যা মনে হয়েছে। হাফিজুল ইসলাম আরও বলেন, খবর পেয়ে যুবরাজের বাবা, ভাই, ভগ্নিপতি, সেখানকার ইউপি সদস্যসহ পরিবারের অনেক সদস্য এসেছিলেন। এ বিষয়ে কারও বিরুদ্ধে তাঁদের অভিযোগ নেই। তাঁদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

০৫/০৪/২০২৬ ইং

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোণায় প্রেমে ব্যর্থ হয়ে যুবরাজ নামে এক যুবকের আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০৭:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে যুবরাজ চন্দ্র তালুকদার (২২) নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। গত শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে পৌর শহরের আখড়া রোডে এই ঘটনা ঘটে। রবিবার (৫ এপ্রিল) মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। যুবরাজ সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর উপজেলার মদনাকান্দি গ্রামের দেবল চন্দ্র তালুকদারের ছেলে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ পৌর শহরের কাচারি রোডের ব্যবসায়ী সুফল পালের মুদিদোকানে দেড় বছর ধরে কর্মচারীর কাজ করতেন যুবরাজ। শনিবার বিকেল ৪টার দিকে একটি ভ্যান নিয়ে আখড়া রোডের গুদামে মালামাল আনতে যান তিনি। দীর্ঘ সময় পার হলেও ফেরত আসেননি যুবরাজ। পরে সাড়ে ৫টার দিকে দোকানমালিক গিয়ে দেখেন, গুদামের ভেতর আড়ার সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলে আছেন যুবরাজ। খবর দেওয়া হলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এদিকে মৃত্যুর পর যুবরাজের স্মার্টফোন থেকে তাঁর বন্ধুদের কাছে পাঠানো অসংখ্য খুদে বার্তা পাওয়া গেছে, যেগুলোর মাধ্যমে এক মেয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কে বিচ্ছেদ হওয়ার বিষয়টি জানা যায়। এই কষ্টে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলেও ইঙ্গিত রয়েছে।

 

ওসি হাফিজুল ইসলাম বলেন, মৃত্যুর আগে যুবরাজ কোনো এক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছেদ হওয়ার বিষয়ে তাঁর বন্ধুদের অসংখ্য মেসেজ দিয়েছেন। এ নিয়ে তাঁর মনে অনেক কষ্ট ছিল। সুরতহাল প্রতিবেদনে তাঁর শরীরে অন্য কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। আলামত দেখে এটিকে আত্মহত্যা মনে হয়েছে। হাফিজুল ইসলাম আরও বলেন, খবর পেয়ে যুবরাজের বাবা, ভাই, ভগ্নিপতি, সেখানকার ইউপি সদস্যসহ পরিবারের অনেক সদস্য এসেছিলেন। এ বিষয়ে কারও বিরুদ্ধে তাঁদের অভিযোগ নেই। তাঁদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

০৫/০৪/২০২৬ ইং