রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি জানান, নেইমারের প্রতিভা ও অভিজ্ঞতা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে দীর্ঘদিনের ইনজুরি এবং ম্যাচ ফিটনেসই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। তার মতে, বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে জায়গা পেতে হলে নেইমারকে পুরোপুরি প্রস্তুত থাকতে হবে।
আনচেলত্তি বলেন, ‘দল নির্বাচন করতে গেলে অনেক কিছু বিবেচনা করতে হয়।
ব্রাজিল কোচ বলেন, ‘নেইমার এই দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়। কিন্তু আমাদের ভালো-মন্দ দুই দিকই বিবেচনা করতে হবে। সিদ্ধান্তটা সহজ নয়।
বর্তমানে সান্তোসের হয়ে খেলছেন নেইমার। ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে ফিরলেও এখনো আগের ধারাবাহিকতা পুরোপুরি ফিরে পাননি তিনি।
আনচেলত্তি অবশ্য ড্রেসিংরুমে নেইমারের প্রভাব নিয়ে কোনো উদ্বেগ দেখছেন না। ইতালিয়ান এই কোচ বলেন, ‘নেইমারকে সবাই ভালোবাসে। সমর্থকরা যেমন, খেলোয়াড়রাও তেমনি।। তাকে দলে নিলে ড্রেসিংরুমে কোনো বিস্ফোরণ ঘটবে না।’
তবে বাইরে তৈরি হওয়া চাপ ও আলোচনা নিয়েও সতর্ক আনচেলত্তি। তার ভাষায়, ‘ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়ে আমি চিন্তিত নই। কিন্তু মিডিয়া কী বলবে, সেটা আমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না।’
শেষ পর্যন্ত নেইমারকে বিশ্বকাপ দলে রাখা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি নিজের বলে জানিয়েছেন আনচেলত্তি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যে শুধুই পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করবে, সেটাও পরিষ্কার করেছেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমাকে কেউ নেইমারকে দলে নিতে চাপ দেয়নি। সিদ্ধান্তটা শতভাগ পেশাদার হবে। আমি শুধু একজন ফুটবলার হিসেবে তার বর্তমান পারফরম্যান্সই বিবেচনা করব।’
সবকিছু মিলিয়ে, নিজের ফিটনেস ও পারফরম্যান্সে উন্নতি দেখাতে না পারলে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে জায়গা হারাতেও পারেন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার।

























