ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নালিতাবাড়ীতে টয়লেট থেকে শিশুকণ্যার মরাদেহ উদ্ধার

 

নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের কালাকুমা এলাকায় টয়লেট থেকে সানজিদা নামে ৭ বছর বয়সী এক শিশু কন্যার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের পরিবারের ৩ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেন পলাতক রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত শিশু সানজিদা উপজেলার পানিহাতা এলাকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলামের মেয়ে। তার মা জামেনা বেগম মারা যাওয়ার পর থেকে সে নানী চাঁনভানুর বাড়িতে থাকত। গত বুধবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪টার পর থেকে সানজিদাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের জানায়।

পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার (৮ মে) বিকেলে এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানা যায়, নিখোঁজ শিশুটিকে সর্বশেষ কালাকুমা এলাকার চাঁন মিয়া ওরফে চাঁনু পাগলার ছেলে বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল। এরপর শিশুটির খালা সখিনা বেগম অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে সানজিদার বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় লোকজনও সেখানে জড়ো হয়ে চাপ সৃষ্টি করেন।

একপর্যায়ে পলাতক বিল্লাল হোসেনকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে সে জানায়, সানজিদাকে হত্যা করে বাড়ির বাথরুমে রেখে গেছে। পরে শুক্রবার দুপুরে স্থানীয়রা টিনশেড বাথরুম থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে এবং পুলিশে খবর দেয়।

খবর পেয়ে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেনের বাবা চান মিয়া ওরফে চাঁনু পাগলা, মা তহরণ এবং ছোট বোন রাবেয়া বেগমকে আটক করেছে পুলিশ।

নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে৷ অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নালিতাবাড়ীতে টয়লেট থেকে শিশুকণ্যার মরাদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০২:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

 

নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের কালাকুমা এলাকায় টয়লেট থেকে সানজিদা নামে ৭ বছর বয়সী এক শিশু কন্যার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের পরিবারের ৩ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেন পলাতক রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত শিশু সানজিদা উপজেলার পানিহাতা এলাকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলামের মেয়ে। তার মা জামেনা বেগম মারা যাওয়ার পর থেকে সে নানী চাঁনভানুর বাড়িতে থাকত। গত বুধবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪টার পর থেকে সানজিদাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের জানায়।

পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার (৮ মে) বিকেলে এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানা যায়, নিখোঁজ শিশুটিকে সর্বশেষ কালাকুমা এলাকার চাঁন মিয়া ওরফে চাঁনু পাগলার ছেলে বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল। এরপর শিশুটির খালা সখিনা বেগম অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে সানজিদার বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় লোকজনও সেখানে জড়ো হয়ে চাপ সৃষ্টি করেন।

একপর্যায়ে পলাতক বিল্লাল হোসেনকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে সে জানায়, সানজিদাকে হত্যা করে বাড়ির বাথরুমে রেখে গেছে। পরে শুক্রবার দুপুরে স্থানীয়রা টিনশেড বাথরুম থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে এবং পুলিশে খবর দেয়।

খবর পেয়ে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেনের বাবা চান মিয়া ওরফে চাঁনু পাগলা, মা তহরণ এবং ছোট বোন রাবেয়া বেগমকে আটক করেছে পুলিশ।

নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে৷ অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।