অস্টিয়োপোরোসিসের ঝুঁকি: হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়ায় ‘অস্টিয়োপোরোসিস’ নামক রোগ হয়। এতে সামান্য আঘাতেই হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
দেরিতে হাড় জোড়া লাগা: গবেষণায় দেখা গেছে, একজন অধূমপায়ীর তুলনায় ধূমপায়ীর ভাঙা হাড় জোড়া লাগতে অনেক বেশি সময় লাগে। কারণ নিকোটিন নতুন হাড় তৈরির কোষ গঠনে বাধা দেয়।
সংক্রমণের ভয়: হাড়ের অস্ত্রোপচারের পর ধূমপায়ীদের ইনফেকশন হওয়ার ভয় সাধারণ মানুষের চেয়ে অনেক বেশি থাকে।
সুস্থ থাকতে যা করা জরুরি
ধূমপান বর্জন: হাড়ের ক্ষয় রোধে এবং পঙ্গুত্ব এড়াতে ধূমপান পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়াই একমাত্র পথ।
সঠিক খাবার: প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ক্যালশিয়াম এবং ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার রাখুন।
ব্যায়াম: হাড় মজবুত রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা বা হাঁটাচলা করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
অনলাইন ডেস্ক, 

























