ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণের বিচারের দাবিতে আমরা লক্ষীপুর শহরের চকবাজার মসজিদের সামনে মানববন্ধনের সময়। সাত দফা দাবিতে ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ লক্ষ্মীপুর জেলার মানববন্ধন।

ধর্ষণের বিচারের দাবিতে আমরা লক্ষীপুর শহরের চকবাজার মসজিদের সামনে মানববন্ধনের সময়। সাত দফা দাবিতে ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ লক্ষ্মীপুর জেলার মানববন্ধন।

দেশব্যাপী ধর্ষণ, হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে সকল ধর্ষক ও সহযোগীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ লক্ষ্মীপুর।
৬ মার্চ শুক্রবার ২০২৬ জুমার নামাজের পরে লক্ষ্মীপুর চক বাজার জামে মসজিদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ লক্ষ্মীপুর জেলার আহ্বায়ক ফারহানা ইয়াসমিন বৃষ্টি’র সভাপতিত্বে সহ মুখপাত্র মোঃ রিয়াদ হোসেনের সঞ্চালনায় সাত দফা দাবি পেশ করেন সংগঠনের সদস্য সচিব মোঃ মেহেদী হাসান মুন্না।

দাবী সমূহ হলো:
১। ধর্ষণ মামলার বিচার ৩০ দিনের মধ্যে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুততম সময়ে বিচার সম্পূর্ণ করতে হবে।
২। প্রকাশ্যে ফাঁসি: ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হিসেবে সকল ধর্ষককে জনসম্মুখে ফাঁসি কার্যকর করতে হবে।
৩। ধর্ষক যে-ই হোক, তার রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক প্রভাব বা অর্থনৈতিক ক্ষমতা দিয়ে তাকে রক্ষা করা যাবে না। আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে যেন কেউ পার না পায়, ঐসব সহ‌যোগী‌দের‌কেও আইনের আওতায় আনতে হবে।
৪। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
৫। ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ, আইনি ও মানসিক সহায়তা সহ প‌রিবা‌রের নিরাপত্তা নি‌শ্চিত কর‌তে হ‌বে।
৬। কোনো প্রশাসনিক কর্মকর্তা থানায় মামলা না নিলে ওই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করতে হবে। এবং নারী পুলিশ ডেস্ক বাধ্যতামূলক গঠন কর‌তে হবে।
৭। স্কুল কলেজের পাঠ্য বইগুলোতে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ শিক্ষা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক অধ্যায় রাখার দাবী জানান।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন লক্ষ্মীপুর আইডিয়াল মাদ্রাসার ইংরেজি প্রভাষক শরীফুল ইসলাম, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন নিসআ’র লক্ষ্মীপুর জেলার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের তুষার, সাস্থ্য ও নগর উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের অর্থ সম্পাদক জোছনা আক্তার লিমা, ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ লক্ষ্মীপুর জেলার যুগ্ম আহবায়ক ফজলে রাব্বি, যুগ্ম সদস্য সচিব মনির সাকিব, জাহিদুল মাহমুদ, মুখ্য সংগঠক মাহিদুল ইসলাম সহ সচেতন নাগরিক এবং অভিভাবকবৃন্দ। এসময়ে বক্তারা- ধর্ষণ প্রতিরোধে বিভিন্ন কার্যকরী ভূমিকা পালনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ষণের বিচারের দাবিতে আমরা লক্ষীপুর শহরের চকবাজার মসজিদের সামনে মানববন্ধনের সময়। সাত দফা দাবিতে ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ লক্ষ্মীপুর জেলার মানববন্ধন।

আপডেট সময় : ০২:২৫:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

দেশব্যাপী ধর্ষণ, হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে সকল ধর্ষক ও সহযোগীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ লক্ষ্মীপুর।
৬ মার্চ শুক্রবার ২০২৬ জুমার নামাজের পরে লক্ষ্মীপুর চক বাজার জামে মসজিদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ লক্ষ্মীপুর জেলার আহ্বায়ক ফারহানা ইয়াসমিন বৃষ্টি’র সভাপতিত্বে সহ মুখপাত্র মোঃ রিয়াদ হোসেনের সঞ্চালনায় সাত দফা দাবি পেশ করেন সংগঠনের সদস্য সচিব মোঃ মেহেদী হাসান মুন্না।

দাবী সমূহ হলো:
১। ধর্ষণ মামলার বিচার ৩০ দিনের মধ্যে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুততম সময়ে বিচার সম্পূর্ণ করতে হবে।
২। প্রকাশ্যে ফাঁসি: ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হিসেবে সকল ধর্ষককে জনসম্মুখে ফাঁসি কার্যকর করতে হবে।
৩। ধর্ষক যে-ই হোক, তার রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক প্রভাব বা অর্থনৈতিক ক্ষমতা দিয়ে তাকে রক্ষা করা যাবে না। আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে যেন কেউ পার না পায়, ঐসব সহ‌যোগী‌দের‌কেও আইনের আওতায় আনতে হবে।
৪। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
৫। ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ, আইনি ও মানসিক সহায়তা সহ প‌রিবা‌রের নিরাপত্তা নি‌শ্চিত কর‌তে হ‌বে।
৬। কোনো প্রশাসনিক কর্মকর্তা থানায় মামলা না নিলে ওই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করতে হবে। এবং নারী পুলিশ ডেস্ক বাধ্যতামূলক গঠন কর‌তে হবে।
৭। স্কুল কলেজের পাঠ্য বইগুলোতে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ শিক্ষা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক অধ্যায় রাখার দাবী জানান।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন লক্ষ্মীপুর আইডিয়াল মাদ্রাসার ইংরেজি প্রভাষক শরীফুল ইসলাম, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন নিসআ’র লক্ষ্মীপুর জেলার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের তুষার, সাস্থ্য ও নগর উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের অর্থ সম্পাদক জোছনা আক্তার লিমা, ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ লক্ষ্মীপুর জেলার যুগ্ম আহবায়ক ফজলে রাব্বি, যুগ্ম সদস্য সচিব মনির সাকিব, জাহিদুল মাহমুদ, মুখ্য সংগঠক মাহিদুল ইসলাম সহ সচেতন নাগরিক এবং অভিভাবকবৃন্দ। এসময়ে বক্তারা- ধর্ষণ প্রতিরোধে বিভিন্ন কার্যকরী ভূমিকা পালনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।