ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদ্মা-মেঘনার রূপালী ইলিশ গেলো কই? ভরা মৌসুমেও জেলের জালে হাহাকার!

 

​| চাঁদপুর ​ইলিশের রাজধানীখ্যাত চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে এখন রূপালী ইলিশের দেখা মেলাই ভার। যেখানে বছরের এই সময়ে মোহনা থেকে শুরু করে হাইমচর পর্যন্ত রূপালী ইলিশের ঝিলিক থাকার কথা, সেখানে এখন জেলেদের জালে উঠছে কেবল চুনোপুঁটি আর জাটকা।
​জেলেদের হাহাকার:আজ সকালে বড় স্টেশন মাছ ঘাট এবং পুরাণ বাজার এলাকায় কয়েকজন জেলের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাতভর নদীতে জাল ফেলেও তেলের খরচ উঠছে না। জেলে রহিম মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, “নদীতে পানি আছে, কিন্তু মাছ নাই। সারারাত জাল বাইয়া মাত্র ২টা ইলিশ পাইছি।”
​কেন এই আকাল?
বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ মহলের মতে, পদ্মা-মেঘনায় ডুবোচরের আধিক্য এবং নদীতে দূষণ বেড়ে যাওয়ায় ইলিশ তার গতিপথ পরিবর্তন করছে। এছাড়া নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের ব্যবহার বাড়ায় ছোট মাছগুলো বড় হওয়ার আগেই ধরা পড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে মাছের উৎপাদনে।
​ক্রেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ:মাছ ঘাটে আসা ক্রেতারা বলছেন, ইলিশের শহরে এসেও যদি ইলিশের দেখা না পাওয়া যায় বা দাম আকাশচুম্বী হয়, তবে তা দুঃখজনক। বর্তমানে লোকাল ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় অন্য এলাকার ইলিশ দিয়ে চাহিদা মেটানো হচ্ছে।
​উপসংহার:
পদ্মা-মেঘনার এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে এখনই প্রয়োজন পরিকল্পিত ড্রেজিং এবং অবৈধ জালের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান। চাঁদপুরবাসী কি আবার ফিরে পাবে সেই রূপালী ইলিশের সুদিন?

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পদ্মা-মেঘনার রূপালী ইলিশ গেলো কই? ভরা মৌসুমেও জেলের জালে হাহাকার!

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

 

​| চাঁদপুর ​ইলিশের রাজধানীখ্যাত চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে এখন রূপালী ইলিশের দেখা মেলাই ভার। যেখানে বছরের এই সময়ে মোহনা থেকে শুরু করে হাইমচর পর্যন্ত রূপালী ইলিশের ঝিলিক থাকার কথা, সেখানে এখন জেলেদের জালে উঠছে কেবল চুনোপুঁটি আর জাটকা।
​জেলেদের হাহাকার:আজ সকালে বড় স্টেশন মাছ ঘাট এবং পুরাণ বাজার এলাকায় কয়েকজন জেলের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাতভর নদীতে জাল ফেলেও তেলের খরচ উঠছে না। জেলে রহিম মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, “নদীতে পানি আছে, কিন্তু মাছ নাই। সারারাত জাল বাইয়া মাত্র ২টা ইলিশ পাইছি।”
​কেন এই আকাল?
বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ মহলের মতে, পদ্মা-মেঘনায় ডুবোচরের আধিক্য এবং নদীতে দূষণ বেড়ে যাওয়ায় ইলিশ তার গতিপথ পরিবর্তন করছে। এছাড়া নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের ব্যবহার বাড়ায় ছোট মাছগুলো বড় হওয়ার আগেই ধরা পড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে মাছের উৎপাদনে।
​ক্রেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ:মাছ ঘাটে আসা ক্রেতারা বলছেন, ইলিশের শহরে এসেও যদি ইলিশের দেখা না পাওয়া যায় বা দাম আকাশচুম্বী হয়, তবে তা দুঃখজনক। বর্তমানে লোকাল ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় অন্য এলাকার ইলিশ দিয়ে চাহিদা মেটানো হচ্ছে।
​উপসংহার:
পদ্মা-মেঘনার এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে এখনই প্রয়োজন পরিকল্পিত ড্রেজিং এবং অবৈধ জালের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান। চাঁদপুরবাসী কি আবার ফিরে পাবে সেই রূপালী ইলিশের সুদিন?