তাড়াইলে দাফনের চার মাস পর মোছা. ছনিয়া (১৪) নামের এক কিশোরীর মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল ২০২৬) দুপুরে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার ধলা ইউনিয়নের তেউরিয়া গ্রামের কবরস্থান থেকে তার মরদেহ তোলা হয়। এর আগে তার মরদেহের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছিল।
ছনিয়া তেউরিয়া গ্রামের মো. তারু খানের মেয়ে। সে ধলা বহুমূখী আলিম মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
আদালতের নির্দেশে সোমবার দুপুরে সোমবার দুপুরে ছনিয়ার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়। এ সময় তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা আখতার, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও তাড়াইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখর রঞ্জন পাল, ছনিয়ার বাবা মো. তারু খান ও মা মোছা. মিশনা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র জানায়, ৩১ ডিসেম্বর দুপুর সময়ে নিজেদের বসতঘরের বারান্দার কক্ষের ধন্নার সঙ্গে ওড়না দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ছনিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গত ১ জানুয়ারি তাড়াইল থানা অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়।
কিছু দিন পর ছনিয়ার বাবা মো. তারু খান তার মেয়ে মোছা. ছনিয়াকে হত্যা করা হয়েছে বলে মামলার আবেদন করেন। আবেদনটি পর্যালোচনা করে এজাহার হিসেবে গণ্য করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাড়াইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন। পরে ১৭ ফেব্রুয়ারি তাড়াইল থানায় এ আবেদনটি মামলা হিসেবে রুজু করা হয়। মামলায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়। মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান তাড়াইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখর রঞ্জন পাল।
এ ব্যাপারে তাড়াইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, আদালতের নির্দেশে তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা আখতারের উপস্থিতিতে মোছা. ছনিয়ার মরদেহ কবর থেকে তোলা হয়েছে।






















