ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকার প্রাণকেন্দ্র মিরপুর তার পাশেই তুরাগ নদীর গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে কাউন্দিয়া ইউনিয়ন,,,

ঢাকার প্রাণকেন্দ্র মিরপুর তার পাশেই তুরাগ নদীর গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে কাউন্দিয়া ইউনিয়ন,,,

কাউন্দিয়ায় ব্রিজ না হওয়ার প্রকৃত কারণ আজ স্পষ্ট করেছে মাননীয় সংসদ সদস্য মিষ্টি ম্যাডাম।

১। বর্তমান প্রস্তাবিত যে জায়গায় ব্রিজ হওয়ার শোরগোল হচ্ছে তা না হওয়ার মূল কারণ রাজউকের কর্মকর্তা বলেছেন এখানে ব্রিজের জন্য সরকারের বা রাজউকের অনুমোদন নেই। এটা অন্য এক জায়গায় অনুমোদন সেখানেও সরকারি গেজেটে স্পষ্টভাবে লিখা অনুমোদিত ড্যাপে তা নিষিদ্ধ।

২। রাজউকের কর্মকর্তা বারবার বলেছেন আইনে নেই কিন্তু জনসাধারণের চাওয়া এটা সে রাজউকের চেয়ারম্যান মহোদয়কে বলবেন।

৩। ড্যাপ এর নীতিমালায় স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ কোন কৃষি জমি বা পানি প্রবাহ বা জলাধারে কোন ইমারত নির্মাণ করা যাবে না। আর সবাই জানে কাউন্দিয়া হলো নিচু জমি বা নাল কাগজেপত্রে। নাল যে সেটার সিএস, আরএস আপনারা দেখতে পারেন। আমার কাছেও অনেক খতিয়ান আছে নালের যা জলপ্রবাহ বা জলাধার। যেখানে ইমারাত নির্মাণ ড্যাপের গেজেট বা রাজউকের আইনে নিষেধ।

৪। মাননীয় সংসদ সদস্য তুলি ম্যাডাম বারবার বলেছে আইনে নাই তা জানি..আইনে গেলে ব্রিজ হবে না। তবে পাবলিকের ডিমান্ড বলে একটা কথা আছে। তাই সরকারের কাছে আবেদন প্রয়োজনে আইন পরিবর্তন করার জন্য। আর শুধু কাউন্দিয়া ব্রিজের জন্য আইন পরিবর্তন করা মুখের কথা না। অনেক প্রসেস ও লবিং এর ব্যাপার। আর এই ব্রিজ নিয়ে সবচেয়ে আগ্রহ বেশি হাউজিং ও ডেভেলপমেন্ট কোম্পানিগুলোর। ব্রিজ হলে তাদের প্লট বা হাউজিং ব্যবসা লালের লাল!
শেষকথা, এতকাল ব্রিজ কেন হয় নাই আজ মাননীয় সংসদ সদস্যরা, রাজউক ও এলজিডির কর্মকর্তাগণ পরিষ্কার করেই বলেছেন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও আইনে নিষিদ্ধ।

সরকারি কাজ দ্রুত শুরু হয়ে যাবে এটা ভাবা বোকামি। আইনি মারপ্যাচে আদৌ কখনো ব্রিজ হবে কিনা বা হলেও কবে সেটাই দেখার বিষয়!!

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার প্রাণকেন্দ্র মিরপুর তার পাশেই তুরাগ নদীর গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে কাউন্দিয়া ইউনিয়ন,,,

আপডেট সময় : ০১:১২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

কাউন্দিয়ায় ব্রিজ না হওয়ার প্রকৃত কারণ আজ স্পষ্ট করেছে মাননীয় সংসদ সদস্য মিষ্টি ম্যাডাম।

১। বর্তমান প্রস্তাবিত যে জায়গায় ব্রিজ হওয়ার শোরগোল হচ্ছে তা না হওয়ার মূল কারণ রাজউকের কর্মকর্তা বলেছেন এখানে ব্রিজের জন্য সরকারের বা রাজউকের অনুমোদন নেই। এটা অন্য এক জায়গায় অনুমোদন সেখানেও সরকারি গেজেটে স্পষ্টভাবে লিখা অনুমোদিত ড্যাপে তা নিষিদ্ধ।

২। রাজউকের কর্মকর্তা বারবার বলেছেন আইনে নেই কিন্তু জনসাধারণের চাওয়া এটা সে রাজউকের চেয়ারম্যান মহোদয়কে বলবেন।

৩। ড্যাপ এর নীতিমালায় স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ কোন কৃষি জমি বা পানি প্রবাহ বা জলাধারে কোন ইমারত নির্মাণ করা যাবে না। আর সবাই জানে কাউন্দিয়া হলো নিচু জমি বা নাল কাগজেপত্রে। নাল যে সেটার সিএস, আরএস আপনারা দেখতে পারেন। আমার কাছেও অনেক খতিয়ান আছে নালের যা জলপ্রবাহ বা জলাধার। যেখানে ইমারাত নির্মাণ ড্যাপের গেজেট বা রাজউকের আইনে নিষেধ।

৪। মাননীয় সংসদ সদস্য তুলি ম্যাডাম বারবার বলেছে আইনে নাই তা জানি..আইনে গেলে ব্রিজ হবে না। তবে পাবলিকের ডিমান্ড বলে একটা কথা আছে। তাই সরকারের কাছে আবেদন প্রয়োজনে আইন পরিবর্তন করার জন্য। আর শুধু কাউন্দিয়া ব্রিজের জন্য আইন পরিবর্তন করা মুখের কথা না। অনেক প্রসেস ও লবিং এর ব্যাপার। আর এই ব্রিজ নিয়ে সবচেয়ে আগ্রহ বেশি হাউজিং ও ডেভেলপমেন্ট কোম্পানিগুলোর। ব্রিজ হলে তাদের প্লট বা হাউজিং ব্যবসা লালের লাল!
শেষকথা, এতকাল ব্রিজ কেন হয় নাই আজ মাননীয় সংসদ সদস্যরা, রাজউক ও এলজিডির কর্মকর্তাগণ পরিষ্কার করেই বলেছেন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও আইনে নিষিদ্ধ।

সরকারি কাজ দ্রুত শুরু হয়ে যাবে এটা ভাবা বোকামি। আইনি মারপ্যাচে আদৌ কখনো ব্রিজ হবে কিনা বা হলেও কবে সেটাই দেখার বিষয়!!