ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টানা বৃষ্টিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৫ শ বোরো চাষী ক্ষতিগ্রস্ত

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, জালাল উদ্দিন রুমি

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার হাওর অঞ্চল জলমগ্ন হয়ে পড়ে। এতে জেলার ১৫ শ বোরো চাষী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আজ বৃহষ্পতিবার কোন বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এবং সূর্ষের দেখা মিলায় কৃষকদের মাঝে স্বস্থি ফিরে এসেছে। কৃষি বিভগ জানিয়েছে প্রাথমিক ভাবে ৬শ বিঘা জমির পাকা ধান জলমগ্ন হয়ে পড়লেও নতুন বৃষ্টিপাত বন্ধ থাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে । জেলায় ৩৭৫ বিঘা জমি আংশিক ক্ষতিগ্রস্তত হয়েছে। এছাড়া ৯৩.৭৫ বিঘা জমির ফসল সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কৃষকরা জানান, অনেক জায়গায় ধান কেটে গাদা করে রাখা হলেও টানা বৃষ্টির কারণে তা শুকাতে পারছিলেন না। আজ সূর্য উঠায় কাটা ধান নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে। তবে ফসল কাটার জন্য কম্বাইন্ড হার্ভেস্টর অতিরিক্ত দাম নেয়ায় তারা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

উল্লেখ্য, চলতি মৌসুমে জেলায় বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ লাখ ১০ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে। তবে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ৭৭০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ মোস্তফা ইমরান হোসেন বলেন, কৃষকদের ক্ষতি কমাতে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে এবং দ্রুত ধান কাটার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রনয়নের কাজ চলছে। প্রণোদনার আওতায় তাদের সহায়তা করা হবে।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পটুয়াখালী গলাচিপায় ১৫০০ পিস ইয়াবাসহ নারীসহ চার মাদক কারবারি আটক।

টানা বৃষ্টিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৫ শ বোরো চাষী ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট সময় : ০৪:২৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, জালাল উদ্দিন রুমি

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার হাওর অঞ্চল জলমগ্ন হয়ে পড়ে। এতে জেলার ১৫ শ বোরো চাষী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আজ বৃহষ্পতিবার কোন বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এবং সূর্ষের দেখা মিলায় কৃষকদের মাঝে স্বস্থি ফিরে এসেছে। কৃষি বিভগ জানিয়েছে প্রাথমিক ভাবে ৬শ বিঘা জমির পাকা ধান জলমগ্ন হয়ে পড়লেও নতুন বৃষ্টিপাত বন্ধ থাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে । জেলায় ৩৭৫ বিঘা জমি আংশিক ক্ষতিগ্রস্তত হয়েছে। এছাড়া ৯৩.৭৫ বিঘা জমির ফসল সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কৃষকরা জানান, অনেক জায়গায় ধান কেটে গাদা করে রাখা হলেও টানা বৃষ্টির কারণে তা শুকাতে পারছিলেন না। আজ সূর্য উঠায় কাটা ধান নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে। তবে ফসল কাটার জন্য কম্বাইন্ড হার্ভেস্টর অতিরিক্ত দাম নেয়ায় তারা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

উল্লেখ্য, চলতি মৌসুমে জেলায় বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ লাখ ১০ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে। তবে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ৭৭০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ মোস্তফা ইমরান হোসেন বলেন, কৃষকদের ক্ষতি কমাতে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে এবং দ্রুত ধান কাটার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রনয়নের কাজ চলছে। প্রণোদনার আওতায় তাদের সহায়তা করা হবে।