ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জীবন শৈলী পরিবর্তনে ডায়াবেটিস রোগ ভালো হওয়া সম্ভব

ইনসুলিন নামক হরমোন অগ্নাশয়ে বিটা সেল থেকে তৈরি হয়ে খাদ্যকে হজম ক্রিয়ার মাধ্যমে শর্করা তথা শক্তি কোষে মধ্যে প্রবেশ করানো ইনসুলিনের কাজ। আর এই প্রক্রিয়া ব্যাঘাত বা ব্যতিক্রম ঘটলে ডায়াবেটিস রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। ডায়াবেটিস দুই প্রকার যথা টাইপ ওয়ান টাইপ টু।

টাইপ ওয়ান ডায়াবেটি হচ্ছে শরীলে কোনভাবে ইনসুলিন নামক হরমোন তৈরি হয় না, যাহাতে খাদ্যকে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারেনা। ফলে রক্তে শর্করা বেড়ে গিয়ে ডায়াবেটি টাইপ ওয়ান রোগ দেখা দেয় এসব রোগী দেখতে সচরাচর চিকন লিকলিকে দেখতে হয়, কারণ শরীরের মেধ কে শোষণ করে শক্তি নেয়। টাইপ টু ডায়াবেটিস শরীলে ইনসুলিন তৈরি হয়, কিন্তু কোষে জায়গা না থাকায় শর্করা বা শক্তি কোষে প্রবেশ করতে পারেনা ফলে রক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে গিয়ে ডায়াবেটিস টাইপ টু লক্ষণ দেখা দেয়। এসব রোগী সাধারণত দেখতে মোটা হয়, কারণ শরিলে ইনসুলিন বেশি মাত্রায় থাকার ফলে খাই খাই প্রবণতা বেশি হয়, এজন্যে শরীলে অতিরিক্ত মেধ জমা হয়।

ডায়াবেটিস টাইপ ওয়ান রোগটি হাজারে দুই একটি রোগী পাওয়া যায়।ইহার চিকিৎসা অত্যন্ত জটিল তবে জীবনশৈলী পরিবর্তনের মাধ্যমে এ রোগ নিরাময় করা সম্ভব। টাইপ টু ডায়াবেটিস রোগটি সহরাচর প্রায় সবার মধ্যে লুকায়িত থাকে সময় মত এ রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।

ডায়াবেটিস রোগি হলে অনেক দুর্বল অবস্থায় বেঁচে থেকে, ইহা দির্ঘায়িত আস্তে আস্তে জটিলতা প্রকাশ পায়, যেমন চোখে ঝাপসা দেখা এক সময় রেটিনা দুর্বল হয়ে যাওয়া, স্ট্রোক প্যারালাইসিস, হার্ট অ্যাটাক, চর্মরোগ, ডায়াবেটিকস ফুট, গ্যাংগ্রীন, ইত্যাদি জটিল রোগে মৃত্যু বরণ হয়।যেহেতু এটি লাইভ স্টাইল জনিত রোগ সেহেতু লাইভ স্টাল পরিবর্তন করে ডায়াবেটি সহ ৭০ থেকে ৮০ প্রকার রোগ ভালো হওয়া সম্ভব।

প্রতিদিন নিয়মিত ব্যায়াম, প্রজাপ্ত ঘুম, পুষ্টিকর খাবার ও প্রশান্তি, এসব নিয়ম গুলি মানা জরুরি,খুব সকালে উঠা খালি পায়ে সবুজ ঘাসে হাটা, গাছের ছায়ার নিচে যাওয়া। বাইরের খাবার এড়িয়ে চলা, যেমন মানুষের তৈরি কৃত্তিম পেপটিসাইটিক খাবার ডুবো তেলেভাজা,সাদা ভাত, সাদা চিনি, সাদা ময়দা,সাদা লবণ, এসব খাবার প্রজাপ্ত পরিমাণে খেলে শরীলে খারাপ চর্বি জমিয়ে
ফ্যাটি লিভার, হাই পেশার, বদহজম, আইবিএস, পলি সিষ্টোমী ওভারিয়ান ডিজিজ মারাত্মক রোগের সৃষ্টি করে।

মোঃ হেলাল উদ্দিন (জি.পি)
ডি.আই.এম (রাজশাহী)
ডি.এ.এম.এস (ঢাকা)
এম.সি.এইচ(মিরপুর ঢাকা)

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জীবন শৈলী পরিবর্তনে ডায়াবেটিস রোগ ভালো হওয়া সম্ভব

আপডেট সময় : ০১:০৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ইনসুলিন নামক হরমোন অগ্নাশয়ে বিটা সেল থেকে তৈরি হয়ে খাদ্যকে হজম ক্রিয়ার মাধ্যমে শর্করা তথা শক্তি কোষে মধ্যে প্রবেশ করানো ইনসুলিনের কাজ। আর এই প্রক্রিয়া ব্যাঘাত বা ব্যতিক্রম ঘটলে ডায়াবেটিস রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। ডায়াবেটিস দুই প্রকার যথা টাইপ ওয়ান টাইপ টু।

টাইপ ওয়ান ডায়াবেটি হচ্ছে শরীলে কোনভাবে ইনসুলিন নামক হরমোন তৈরি হয় না, যাহাতে খাদ্যকে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারেনা। ফলে রক্তে শর্করা বেড়ে গিয়ে ডায়াবেটি টাইপ ওয়ান রোগ দেখা দেয় এসব রোগী দেখতে সচরাচর চিকন লিকলিকে দেখতে হয়, কারণ শরীরের মেধ কে শোষণ করে শক্তি নেয়। টাইপ টু ডায়াবেটিস শরীলে ইনসুলিন তৈরি হয়, কিন্তু কোষে জায়গা না থাকায় শর্করা বা শক্তি কোষে প্রবেশ করতে পারেনা ফলে রক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে গিয়ে ডায়াবেটিস টাইপ টু লক্ষণ দেখা দেয়। এসব রোগী সাধারণত দেখতে মোটা হয়, কারণ শরিলে ইনসুলিন বেশি মাত্রায় থাকার ফলে খাই খাই প্রবণতা বেশি হয়, এজন্যে শরীলে অতিরিক্ত মেধ জমা হয়।

ডায়াবেটিস টাইপ ওয়ান রোগটি হাজারে দুই একটি রোগী পাওয়া যায়।ইহার চিকিৎসা অত্যন্ত জটিল তবে জীবনশৈলী পরিবর্তনের মাধ্যমে এ রোগ নিরাময় করা সম্ভব। টাইপ টু ডায়াবেটিস রোগটি সহরাচর প্রায় সবার মধ্যে লুকায়িত থাকে সময় মত এ রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।

ডায়াবেটিস রোগি হলে অনেক দুর্বল অবস্থায় বেঁচে থেকে, ইহা দির্ঘায়িত আস্তে আস্তে জটিলতা প্রকাশ পায়, যেমন চোখে ঝাপসা দেখা এক সময় রেটিনা দুর্বল হয়ে যাওয়া, স্ট্রোক প্যারালাইসিস, হার্ট অ্যাটাক, চর্মরোগ, ডায়াবেটিকস ফুট, গ্যাংগ্রীন, ইত্যাদি জটিল রোগে মৃত্যু বরণ হয়।যেহেতু এটি লাইভ স্টাইল জনিত রোগ সেহেতু লাইভ স্টাল পরিবর্তন করে ডায়াবেটি সহ ৭০ থেকে ৮০ প্রকার রোগ ভালো হওয়া সম্ভব।

প্রতিদিন নিয়মিত ব্যায়াম, প্রজাপ্ত ঘুম, পুষ্টিকর খাবার ও প্রশান্তি, এসব নিয়ম গুলি মানা জরুরি,খুব সকালে উঠা খালি পায়ে সবুজ ঘাসে হাটা, গাছের ছায়ার নিচে যাওয়া। বাইরের খাবার এড়িয়ে চলা, যেমন মানুষের তৈরি কৃত্তিম পেপটিসাইটিক খাবার ডুবো তেলেভাজা,সাদা ভাত, সাদা চিনি, সাদা ময়দা,সাদা লবণ, এসব খাবার প্রজাপ্ত পরিমাণে খেলে শরীলে খারাপ চর্বি জমিয়ে
ফ্যাটি লিভার, হাই পেশার, বদহজম, আইবিএস, পলি সিষ্টোমী ওভারিয়ান ডিজিজ মারাত্মক রোগের সৃষ্টি করে।

মোঃ হেলাল উদ্দিন (জি.পি)
ডি.আই.এম (রাজশাহী)
ডি.এ.এম.এস (ঢাকা)
এম.সি.এইচ(মিরপুর ঢাকা)