ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হতে না হতেই খেলা জমে উঠেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হতে না হতেই খেলা জমে উঠেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন।

যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় জামায়াত প্রার্থী ঘোষণার পর বিএনপির প্রার্থীর নাম সামনে এসেছে।
জানাগেছে মনিরামপুর উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হককে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বলে ঘোষণা দেয়। বিষয়টি আমলে নিয়ে বিএনপি বসে নেই। দলীয় ভাবে প্রার্থী চূড়ান্ত না করলেও কর্মীরা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টুকে প্রার্থী মনে করছেন। আসাদুজ্জামান মিন্টু বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নিবন্ধনহীন দলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ভালো অবস্থানে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়। জমিয়তের প্রার্থীর কোন ভোট ব্যাংক না থাকলেও আসাদুজ্জামান মিন্টুর প্রচেষ্টায় প্রার্থী অর্ধলক্ষ ভোটের মালিক হন। আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে আসাদুজ্জামান মিন্টু প্রার্থী হলে অনেকের জন্য বুমেরাং হবে। আশায় গুড়েবালি হতে পারে অনেকের জন্য। বিএনপির সতন্ত্র প্রার্থী ও ধানের শীষের প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট এক হলেই আসাদুজ্জামান মিন্টুর জন্য হবে সোনায় সোহাগা। সতন্ত্র প্রার্থী দলীয় পদ ফিরে পেতে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিবে বলা যায়।
আসাদুজ্জামান মিন্টুর নাম প্রার্থী তালিকায় সকলের মুখে মুখে। আসাদুজ্জামান মিন্টুকে নিয়ে ইতিমধ্যেই মনিরামপুরের বাতাস গরম হয়ে উঠেছে। খেলা জমে উঠেছে বলা যায়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হতে না হতেই খেলা জমে উঠেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন।

আপডেট সময় : ০৩:০৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় জামায়াত প্রার্থী ঘোষণার পর বিএনপির প্রার্থীর নাম সামনে এসেছে।
জানাগেছে মনিরামপুর উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হককে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বলে ঘোষণা দেয়। বিষয়টি আমলে নিয়ে বিএনপি বসে নেই। দলীয় ভাবে প্রার্থী চূড়ান্ত না করলেও কর্মীরা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টুকে প্রার্থী মনে করছেন। আসাদুজ্জামান মিন্টু বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নিবন্ধনহীন দলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ভালো অবস্থানে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়। জমিয়তের প্রার্থীর কোন ভোট ব্যাংক না থাকলেও আসাদুজ্জামান মিন্টুর প্রচেষ্টায় প্রার্থী অর্ধলক্ষ ভোটের মালিক হন। আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে আসাদুজ্জামান মিন্টু প্রার্থী হলে অনেকের জন্য বুমেরাং হবে। আশায় গুড়েবালি হতে পারে অনেকের জন্য। বিএনপির সতন্ত্র প্রার্থী ও ধানের শীষের প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট এক হলেই আসাদুজ্জামান মিন্টুর জন্য হবে সোনায় সোহাগা। সতন্ত্র প্রার্থী দলীয় পদ ফিরে পেতে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিবে বলা যায়।
আসাদুজ্জামান মিন্টুর নাম প্রার্থী তালিকায় সকলের মুখে মুখে। আসাদুজ্জামান মিন্টুকে নিয়ে ইতিমধ্যেই মনিরামপুরের বাতাস গরম হয়ে উঠেছে। খেলা জমে উঠেছে বলা যায়।