এই পেসমেকারের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এটি স্থায়ী নয়।
কাজ শেষ হলে মানবদেহের ভেতর নিজে থেকেই গলে যায়। আলাদা করে আবার অপারেশন করে বের করতে হয় না।
এতে রোগীর কষ্ট বাড়ে, সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে এবং চিকিৎসার খরচও অনেক বেড়ে যায়। নতুন এই ক্ষুদ্র পেসমেকার সেসব সমস্যার সমাধান দিতে পারে।
তখন কিছুদিনের জন্য হৃৎস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য দরকার হয়। এই ছোট পেসমেকারটি ঠিক সেই কাজটাই করে।
এই প্রযুক্তির প্রয়োগ করলে ফলে রোগীর অনেক সুবিধা হবে। যেমন- দ্বিতীয়বার অপারেশনের দরকার হবে না, সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক কমবে, রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে, চিকিৎসার খরচও কমবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি মিনিমালি ইনভেসিভ চিকিৎসা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এক বড় অগ্রগতি। ভবিষ্যতে এমন আরও যন্ত্র তৈরি হতে পারে, যা শরীরের ভেতরে ঢুকে প্রয়োজন অনুযায়ী কাজ করবে এবং কাজ শেষ হলে নিজে থেকেই চলে যাবে। সবচেয়ে আশার কথা হলো, এই আবিষ্কার এক নতুন চিকিৎসা ভবিষ্যতের দিশা দেখাচ্ছে, যেখানে যন্ত্র শরীরের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে না, বরং শরীরের সঙ্গে মিশে সুস্থ করে তুলবে, তারপর নিঃশব্দে বিদায় নেবে।


























