ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরে নিখোঁজের ১৭ ঘণ্টা পর পুকুরে মিললো দুই শিশুর মরদেহ

চাঁদপুর সদর উপজেলার বিষ্ণপুর ইউনিয়নে নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে স্বজনরা। নিখোঁজের ১৭ ঘণ্টা পর ১৪ এপ্রিল রাত ৩টায় বাড়ির পুকুরে তাদের মরদেহ ভেসে ওঠে। এর আগে ১৩ এপ্রিল সোমবার সকাল ১০টার পর নিহত দুই শিশু খেলার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়।

ঘটনাটি ঘটে বিষ্ণপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে্য হাসাদী গাজী বাড়িতে। মৃত দুই শিশুরা ঐ বাড়ির মোহাম্মদ হাসানের ছেলে আব্দুল আহাদ (৭)। এবং মাদারীপুর জেলার সাগর হোসেনের ছেলে জুনায়েদ হোসেন (৯)।

স্বজনরা জানায়, সোমবার সকাল ১০টার পরে নিহত দুই শিশু খেলার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হয়। এরপর আর তাদের কোন খোঁজ পাওয়া যায় না। পরে পরিবারের লোকজন দিনভর সম্ভাব্য সকল জায়গায় অনেক খোঁজাখুঁজি করে। একপর্যায়ে দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বাড়ির পুকুরে একজন শিশুর নিথর দেহ ভেসে ওঠে। এর কিছুক্ষণ পর অপর শিশুর মরদেহটিও ভেসে উঠতে দেখা যায়।

নিহত শিশুদের পরিবার ধারণা করছেন, পুকুরে থাকা ছোট্ট একটি নৌকা ছিল। শিশুরা হয়তো ঐ নৌকায় উঠতে গিয়ে অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে গিয়ে আর ফিরে উঠতে পারেনি। পরে বিষয়টি চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশকে অবগত করলে অনুমতি সাপেক্ষে আব্দুল আহাদকে বিষ্ণপুর এবং জুনায়েদ হোসেনকে মাদারীপুর নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়।

এলাকাবাসী জানায়, নিহত শিশু জুনায়েদ হোসেনকে নিয়ে তার পরিবার এই বাড়িতে বাসা ভাড়া থাকতো। সে নিহত অপর শিশু আব্দুল আহাদের পার্শ্ববর্তী এক চাচীর বোনের ছেলে। একসঙ্গে দুই শিশুর এমন মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে নিখোঁজের ১৭ ঘণ্টা পর পুকুরে মিললো দুই শিশুর মরদেহ

আপডেট সময় : ০৯:২০:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

চাঁদপুর সদর উপজেলার বিষ্ণপুর ইউনিয়নে নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে স্বজনরা। নিখোঁজের ১৭ ঘণ্টা পর ১৪ এপ্রিল রাত ৩টায় বাড়ির পুকুরে তাদের মরদেহ ভেসে ওঠে। এর আগে ১৩ এপ্রিল সোমবার সকাল ১০টার পর নিহত দুই শিশু খেলার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়।

ঘটনাটি ঘটে বিষ্ণপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে্য হাসাদী গাজী বাড়িতে। মৃত দুই শিশুরা ঐ বাড়ির মোহাম্মদ হাসানের ছেলে আব্দুল আহাদ (৭)। এবং মাদারীপুর জেলার সাগর হোসেনের ছেলে জুনায়েদ হোসেন (৯)।

স্বজনরা জানায়, সোমবার সকাল ১০টার পরে নিহত দুই শিশু খেলার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হয়। এরপর আর তাদের কোন খোঁজ পাওয়া যায় না। পরে পরিবারের লোকজন দিনভর সম্ভাব্য সকল জায়গায় অনেক খোঁজাখুঁজি করে। একপর্যায়ে দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বাড়ির পুকুরে একজন শিশুর নিথর দেহ ভেসে ওঠে। এর কিছুক্ষণ পর অপর শিশুর মরদেহটিও ভেসে উঠতে দেখা যায়।

নিহত শিশুদের পরিবার ধারণা করছেন, পুকুরে থাকা ছোট্ট একটি নৌকা ছিল। শিশুরা হয়তো ঐ নৌকায় উঠতে গিয়ে অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে গিয়ে আর ফিরে উঠতে পারেনি। পরে বিষয়টি চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশকে অবগত করলে অনুমতি সাপেক্ষে আব্দুল আহাদকে বিষ্ণপুর এবং জুনায়েদ হোসেনকে মাদারীপুর নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়।

এলাকাবাসী জানায়, নিহত শিশু জুনায়েদ হোসেনকে নিয়ে তার পরিবার এই বাড়িতে বাসা ভাড়া থাকতো। সে নিহত অপর শিশু আব্দুল আহাদের পার্শ্ববর্তী এক চাচীর বোনের ছেলে। একসঙ্গে দুই শিশুর এমন মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া।