ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বহির্নোঙরে দুই জাহাজের সংঘর্ষ: তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পণ্যবাহী দুটি জাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিদেশি শিপিং জায়ান্ট ‘মায়েরস্ক’ এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী গ্রুপের ‘এইচআর তুরাগ’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জাহাজে থাকা প্রায় ২,৮০০ একক কনটেইনারের খালাস প্রক্রিয়া আটকে গেছে।

শুক্রবার সকালে সিঙ্গাপুর থেকে আমদানিকৃত পণ্য নিয়ে আসা জাহাজ দুটিকে বহির্নোঙর থেকে জেটিতে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে জাহাজ দুটিকে আপাতত জেটিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে জাহাজ দুটির মূল কাঠামো (Hull) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানির নিচের অংশে কোনো ফাটল ধরেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বন্দরের দুই অভিজ্ঞ পাইলট ক্যাপ্টেন মো. আতাউল হাকিম সিদ্দিকী ও ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শামসুদ্দীন জাহাজ দুটি আনতে গেলেও দুর্ঘটনার ভয়াবহতা দেখে ফিরে আসেন। তাদের মতে, ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ চ্যানেলে ঢোকালে বন্দরের প্রবেশমুখে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারত।

দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে একটি যৌথ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তর ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটি দুর্ঘটনার কারিগরি ও নেপথ্য কারণ খতিয়ে দেখবে।

নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তরের প্রিন্সিপাল অফিসার শেখ জালাল উদ্দিন গাজী কমিটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তদন্ত শেষ না হওয়া এবং চলাচলের চূড়ান্ত অনুমতি (Fitness) না পাওয়া পর্যন্ত জাহাজ দুটিকে বহির্নোঙরেই অবস্থান করতে হবে।

 

মায়েরস্ক (বিদেশি) ও এইচআর তুরাগ (দেশি)।

২,৮০০ একক কনটেইনার।

নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তর ও বন্দর কর্তৃপক্ষ।

জাহাজ দুটি এখনো বহির্নোঙরে অবস্থান করছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বহির্নোঙরে দুই জাহাজের সংঘর্ষ: তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পণ্যবাহী দুটি জাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিদেশি শিপিং জায়ান্ট ‘মায়েরস্ক’ এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী গ্রুপের ‘এইচআর তুরাগ’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জাহাজে থাকা প্রায় ২,৮০০ একক কনটেইনারের খালাস প্রক্রিয়া আটকে গেছে।

শুক্রবার সকালে সিঙ্গাপুর থেকে আমদানিকৃত পণ্য নিয়ে আসা জাহাজ দুটিকে বহির্নোঙর থেকে জেটিতে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে জাহাজ দুটিকে আপাতত জেটিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে জাহাজ দুটির মূল কাঠামো (Hull) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানির নিচের অংশে কোনো ফাটল ধরেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বন্দরের দুই অভিজ্ঞ পাইলট ক্যাপ্টেন মো. আতাউল হাকিম সিদ্দিকী ও ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শামসুদ্দীন জাহাজ দুটি আনতে গেলেও দুর্ঘটনার ভয়াবহতা দেখে ফিরে আসেন। তাদের মতে, ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ চ্যানেলে ঢোকালে বন্দরের প্রবেশমুখে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারত।

দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে একটি যৌথ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তর ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটি দুর্ঘটনার কারিগরি ও নেপথ্য কারণ খতিয়ে দেখবে।

নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তরের প্রিন্সিপাল অফিসার শেখ জালাল উদ্দিন গাজী কমিটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তদন্ত শেষ না হওয়া এবং চলাচলের চূড়ান্ত অনুমতি (Fitness) না পাওয়া পর্যন্ত জাহাজ দুটিকে বহির্নোঙরেই অবস্থান করতে হবে।

 

মায়েরস্ক (বিদেশি) ও এইচআর তুরাগ (দেশি)।

২,৮০০ একক কনটেইনার।

নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তর ও বন্দর কর্তৃপক্ষ।

জাহাজ দুটি এখনো বহির্নোঙরে অবস্থান করছে।