ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষক পেঁয়াজ বিক্রি করে ২০ টাকায়, আর আপনি বাজার থেকে কেনেন ১০০ টাকায়! মাঝখানের এই ৮০ টাকা লুটপাট করছে কারা? তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্থা নেয়া দরকার।

কৃষক পেঁয়াজ বিক্রি করে ২০ টাকায়, আর আপনি বাজার থেকে কেনেন ১০০ টাকায়! মাঝখানের এই ৮০ টাকা লুটপাট করছে কারা? তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্থা নেয়া দরকার।

আমাদের কৃষকরা রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে পেঁয়াজ উৎপাদন করে। দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ৩৫-৩৮ লাখ টন। আর গত বছর আমাদের কৃষক উৎপাদন করেছে রেকর্ড ৪২ লাখ ৫০ হাজার টন! অর্থাৎ, আমাদের চাহিদার চেয়েও অনেক বেশি পেঁয়াজ দেশে উৎপাদিত হয়েছে।
তাহলে পেঁয়াজের এতো দাম কেন? আর কেনই বা আমদানি করতে হয়?
***সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগী (ফড়িয়া, আড়তদার)!
***পচানোর রাজনীতি
দেশে কোনো আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ নেই। ফলে উৎপাদনের ২৫-৩০% (প্রায় ১০-১১ লাখ টন) পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয়! আর এই সুযোগটাই নেয় সিন্ডিকেট।
***কৃত্রিম সংকট: ফড়িয়ারা কৃষকের কাছ থেকে ২০-২৫ টাকায় পেঁয়াজ ক্রয় করে গুদামজাত করে। পরে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ১০০ টাকায় বেচে কোনো শ্রম ছাড়াই ৩০০% মুনাফা লুটে!
***আমদানির খেলা দেশি পেঁয়াজ পচে যাওয়ার পর, সিন্ডিকেট বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে। আমদানিতে কেজি প্রতি খরচ হয় ৫০ টাকার মতো, কিন্তু বাজারে বিক্রি করে ১০০ টাকায়!
কৃষক যদি লোকসানের আতংকে পেঁয়াজ চাষ বন্ধ করে, তাহলে সিন্ডিকেটের সোয়াবরো। আমদানি নির্ভর হওয়ায় কম মূল্যে বিদেশ থেকে এনে নিজের পছন্দ মত দামে বিক্রি করবে!
এমন পরিস্থিতি সৃষ্টির আগে সরকারের উচিত এ বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়া। বিলম্ব হলে পরিস্থিতি যাবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে। পর্যাপ্ত পেঁয়াজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে আমদানি নিষিদ্ধ করা হবে সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত। সরকার বিষয়টি ভেবে দেখবেন এটাই সকলের প্রত্যাশা।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষক পেঁয়াজ বিক্রি করে ২০ টাকায়, আর আপনি বাজার থেকে কেনেন ১০০ টাকায়! মাঝখানের এই ৮০ টাকা লুটপাট করছে কারা? তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্থা নেয়া দরকার।

আপডেট সময় : ১১:৩৮:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

আমাদের কৃষকরা রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে পেঁয়াজ উৎপাদন করে। দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ৩৫-৩৮ লাখ টন। আর গত বছর আমাদের কৃষক উৎপাদন করেছে রেকর্ড ৪২ লাখ ৫০ হাজার টন! অর্থাৎ, আমাদের চাহিদার চেয়েও অনেক বেশি পেঁয়াজ দেশে উৎপাদিত হয়েছে।
তাহলে পেঁয়াজের এতো দাম কেন? আর কেনই বা আমদানি করতে হয়?
***সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগী (ফড়িয়া, আড়তদার)!
***পচানোর রাজনীতি
দেশে কোনো আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ নেই। ফলে উৎপাদনের ২৫-৩০% (প্রায় ১০-১১ লাখ টন) পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয়! আর এই সুযোগটাই নেয় সিন্ডিকেট।
***কৃত্রিম সংকট: ফড়িয়ারা কৃষকের কাছ থেকে ২০-২৫ টাকায় পেঁয়াজ ক্রয় করে গুদামজাত করে। পরে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ১০০ টাকায় বেচে কোনো শ্রম ছাড়াই ৩০০% মুনাফা লুটে!
***আমদানির খেলা দেশি পেঁয়াজ পচে যাওয়ার পর, সিন্ডিকেট বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে। আমদানিতে কেজি প্রতি খরচ হয় ৫০ টাকার মতো, কিন্তু বাজারে বিক্রি করে ১০০ টাকায়!
কৃষক যদি লোকসানের আতংকে পেঁয়াজ চাষ বন্ধ করে, তাহলে সিন্ডিকেটের সোয়াবরো। আমদানি নির্ভর হওয়ায় কম মূল্যে বিদেশ থেকে এনে নিজের পছন্দ মত দামে বিক্রি করবে!
এমন পরিস্থিতি সৃষ্টির আগে সরকারের উচিত এ বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়া। বিলম্ব হলে পরিস্থিতি যাবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে। পর্যাপ্ত পেঁয়াজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে আমদানি নিষিদ্ধ করা হবে সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত। সরকার বিষয়টি ভেবে দেখবেন এটাই সকলের প্রত্যাশা।