কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় অনুমোদনহীন ও নকল জুস, জেলি, লিকুইড দই এবং বিভিন্ন জাতীয় শিশু খাদ্য তৈরির একটি কারখানার মালিককে ১ লক্ষ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নে সাতবাড়ীয়া গ্রামে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. গাজী আশিক বাহার এর নেতৃত্বে ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের সাতবাড়ীয়া গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে বিএসটিআই, পরিদর্শক আসিফ করিম, কুষ্টিয়া ও ফিল্ড অফিসার মোঃ খাইরুল ইসলাম এবং ভেড়ামারা থানা পুলিশ ও আনসার সদস্য এবং সাংবাদিকবৃন্দের সমন্বয়ে গঠিত টিম এ অভিযানে অংশ নেয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা চক বাজার থেকে বিভিন্ন নামী-দামী অনুমোদিত কোম্পানির লেভেল বা ব্যাচ ব্যবহার করে সাতবাড়ীয়া গ্রামে কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশু খাদ্য তৈরি ও বাজারজাতের প্রস্তুতি চলছিল। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
অনুমোদনহীন ও নকল পদ্ধতিতে জুস, জেলি এবং চকলেট জাতীয় শিশু খাদ্য তৈরির অপরাধে সাতবাড়ীয়া গ্রামের মোঃ রেজাউল করিম এর পুত্র মোঃ মজনু (৩২)কে ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অভিযান চলাকালে বিপুল পরিমাণ অনুমোদনহীন শিশু খাদ্য ও তৈরির কাঁচামাল জব্দ করে তা ধ্বংস করা হয়।
এদিকে এইক গ্রামে মোঃ শাহাদত হোসেন (৪২), পিতা-মৃত আমিরুল ইসলাম এর নিজ বাড়ীতে যৌন উত্তেজনার বিভিন্ন ধরনের বোতলজাতকৃত ঔষধ পাওয়া যায়, তারা পাবনা থেকে এ ধরনের যৌন উত্তেজনামুলক ঔষধ ক্রয় করে নিজ বাড়ীতে গোদামজাতকরণ করে বিভিন্ন দোকানে বিক্রয় করতেন। যার কোন ধরনের লাইসেন্স বা কাগজপত্র নাই। মোঃ শাহাদত হোসেনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. গাজী আশিক বাহার জানান, শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও ভেজাল খাদ্য উৎপাদন কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।






















