ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জ করিমগঞ্জে জেসি এগ্রো ফার্মে কোরবানির ঈদকে সামনে তৈরি হচ্ছে গরু

কিশোরগঞ্জ করিমগঞ্জে জেসি এগ্রো ফার্মে কোরবানির ঈদকে সামনে তৈরি হচ্ছে গরু

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলা নেয়ামতপুর ১নং ওয়ার্ডে অবস্থিত জেসি এগ্রো ফার্ম-এ চলছে কোরবানির পশু প্রস্তুতের ব্যস্ততা। খামারটিতে বর্তমানে ৪০০টির অধিক গরু ও মহিষ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২০০টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৬০টি গরু বিক্রি হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে খামার কর্তৃপক্ষ।

খামার সূত্রে জানা যায়, খামারের সবচেয়ে বড় ষাঁড়টির ওজন প্রায় ৮০০ কেজি। গরুটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৪ লাখ টাকা। এছাড়া খামারে থাকা একটি মহিষের ওজনও প্রায় ৮০০ কেজি, যার মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৬ লাখ টাকা। খুর ও অন্যান্য অংশ ক্রেতারা আলাদাভাবে কিনে নিয়ে থাকেন।

ফার্মের কর্মরত ম্যানেজার মো. রিয়াদ বলেন, “আমাদের ফার্মে বর্তমানে ৪০০টির বেশি গরু রয়েছে। এর মধ্যে ২০০টি গরু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৬০টি গরু বিক্রি হয়ে গেছে। বর্তমানে পশুখাদ্য ও ফিডের যে মূল্য, তাতে লাভবান হওয়া কঠিন।”

তিনি আরও জানান, খামারে বর্তমানে ৮ জন নারী কর্মী ঘাস চাষের কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়া ১০ জন পুরুষ কর্মচারী সার্বক্ষণিক পশুর পরিচর্যা ও খামারের বিভিন্ন কাজে দায়িত্ব পালন করছেন।

কোরবানির পশু কিনতে আগ্রহীদের জন্য খামারে আগাম বুকিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানান খামার কর্তৃপক্ষ।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জ করিমগঞ্জে জেসি এগ্রো ফার্মে কোরবানির ঈদকে সামনে তৈরি হচ্ছে গরু

আপডেট সময় : ০১:০৩:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলা নেয়ামতপুর ১নং ওয়ার্ডে অবস্থিত জেসি এগ্রো ফার্ম-এ চলছে কোরবানির পশু প্রস্তুতের ব্যস্ততা। খামারটিতে বর্তমানে ৪০০টির অধিক গরু ও মহিষ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২০০টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৬০টি গরু বিক্রি হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে খামার কর্তৃপক্ষ।

খামার সূত্রে জানা যায়, খামারের সবচেয়ে বড় ষাঁড়টির ওজন প্রায় ৮০০ কেজি। গরুটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৪ লাখ টাকা। এছাড়া খামারে থাকা একটি মহিষের ওজনও প্রায় ৮০০ কেজি, যার মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৬ লাখ টাকা। খুর ও অন্যান্য অংশ ক্রেতারা আলাদাভাবে কিনে নিয়ে থাকেন।

ফার্মের কর্মরত ম্যানেজার মো. রিয়াদ বলেন, “আমাদের ফার্মে বর্তমানে ৪০০টির বেশি গরু রয়েছে। এর মধ্যে ২০০টি গরু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৬০টি গরু বিক্রি হয়ে গেছে। বর্তমানে পশুখাদ্য ও ফিডের যে মূল্য, তাতে লাভবান হওয়া কঠিন।”

তিনি আরও জানান, খামারে বর্তমানে ৮ জন নারী কর্মী ঘাস চাষের কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়া ১০ জন পুরুষ কর্মচারী সার্বক্ষণিক পশুর পরিচর্যা ও খামারের বিভিন্ন কাজে দায়িত্ব পালন করছেন।

কোরবানির পশু কিনতে আগ্রহীদের জন্য খামারে আগাম বুকিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানান খামার কর্তৃপক্ষ।