ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালীগঞ্জে তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে চলছে মহোৎসব

 

লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের কাশীরাম ১ নং ওয়ার্ডে দেলা মেম্বারের বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন ৮টি থেকে ১০ টি ট্রাক্টর

নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। একশ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি ও অসাধু চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ড্রেজার মেশিন ও ভেকু ব্যবহার করে প্রতিদিন নদী থেকে বালু উত্তোলন করছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং ভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাত থেকে শুরু করে দিনের বিভিন্ন সময়ে ট্রাক ও ট্রলির মাধ্যমে এসব বালু বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর তীরবর্তী ফসলি জমি, বসতবাড়ি ও সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে। অনেক স্থানে নদীগর্ভ গভীর হয়ে যাওয়ায় সেতু ও কালভার্টের স্থায়িত্বও ঝুঁকিতে রয়েছে।

এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, কয়েকবার প্রশাসনকে জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে বালু চক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা প্রশাসনের অভিযান শুরু হলে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখলেও পরে আবার শুরু করে।

পরিবেশবিদরা জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর জীববৈচিত্র্য নষ্ট হচ্ছে, মাছের প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে এবং নদীর নাব্যতা কমে যাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এটি পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে নদী ও পরিবেশ রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালীগঞ্জে তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে চলছে মহোৎসব

আপডেট সময় : ০৩:০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

 

লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের কাশীরাম ১ নং ওয়ার্ডে দেলা মেম্বারের বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন ৮টি থেকে ১০ টি ট্রাক্টর

নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। একশ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি ও অসাধু চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ড্রেজার মেশিন ও ভেকু ব্যবহার করে প্রতিদিন নদী থেকে বালু উত্তোলন করছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং ভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাত থেকে শুরু করে দিনের বিভিন্ন সময়ে ট্রাক ও ট্রলির মাধ্যমে এসব বালু বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর তীরবর্তী ফসলি জমি, বসতবাড়ি ও সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে। অনেক স্থানে নদীগর্ভ গভীর হয়ে যাওয়ায় সেতু ও কালভার্টের স্থায়িত্বও ঝুঁকিতে রয়েছে।

এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, কয়েকবার প্রশাসনকে জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে বালু চক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা প্রশাসনের অভিযান শুরু হলে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখলেও পরে আবার শুরু করে।

পরিবেশবিদরা জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর জীববৈচিত্র্য নষ্ট হচ্ছে, মাছের প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে এবং নদীর নাব্যতা কমে যাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এটি পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে নদী ও পরিবেশ রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।