- রাতে বা দুপুরে আচমকা কানে তীব্র ব্যথা শুরু হলে বিপদে পড়তে হয় অনেককে। সাধারণ পেনকিলারে কানের ব্যথা কমাতে না পারলে অনেকেই হতাশ হয়ে পড়েন। তবে কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে, যা সাময়িক আরাম দিতে পারে এবং কানে ব্যথার সমস্যা কমাতে সহায়ক হতে পারে। চলুন, জেনে নিই।
কানে ব্যথার কারণ কী?
কানে ব্যথা হতে পারে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ, পুরনো সর্দিকাশি বা গোসল করার সময় কানে পানি ঢুকে যাওয়ার কারণে। তবে যেহেতু ওষুধ ও ডাক্তার সব সময় সহজলভ্য নয়, তাই কিছু ঘরোয়া উপায়ে অন্তত সাময়িক আরাম পাওয়া যেতে পারে।
গরম সেঁক
কানে গরম সেঁক দিলে ব্যথা কমে এবং কানের ভিতরের পুঁজ বেরিয়ে যায়। একটি পরিষ্কার কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে নিংড়ে কানে রেখে দুই মিনিট অপেক্ষা করুন, তারপর মাথা অন্য দিকে কাত করে পুঁজ বের হয়ে যেতে দিন।
হাইড্রোজেন পারক্সাইড ড্রপ
হাইড্রোজেন পারক্সাইড কানের ইনফেকশন কমাতে সাহায্য করে। ড্রপার দিয়ে ৩-৪ ফোঁটা কানে দিয়ে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকুন। পরে মাথা অন্যদিকে কাত করে তরল বের করে দিন। দিনে কয়েকবার এই উপায়টি করলে উপকার পাবেন।
ভিনেগার সলিউশন
ভিনিগার ও রাবিং অ্যালকোহল মিশিয়ে কানে ২-৩ ফোঁটা দিন। পাঁচ মিনিট শুয়ে থাকুন, তারপর মাথা অন্যদিকে কাত করে তরল বের করুন। এটি কানের সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে।
কান শুকনো রাখুন
গোসল করার সময় কানে পানি ঢুকতে না দেয়ার জন্য সেদিকে খেয়াল রাখুন। গোসলের আগে পেট্রোলিয়াম জেলি মাখানো তুলো কানে গুঁজে নিতে পারেন।
কান খোঁচাবেন না
কানে ব্যথা হলে খোঁচাখুঁচি করলে সংক্রমণ আরো বাড়তে পারে। তাই কানে ইয়ারবাড, দেশলাই কাঠি বা সেফটিপিন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
রসুনের তেল
অল্প অলিভ অয়েলে এক কোয়া রসুন গরম করুন, তারপর ছেঁকে নিয়ে তা কানে ২-৩ ফোঁটা দিন। এই তেল ব্যথা কমাতে সহায়ক হতে পারে।
নিমের রস
নিমপাতা ধুয়ে থেঁতো করে কানে দিন অথবা নিমের তেলে ভেজানো তুলো কানে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এতে ব্যথা কমানোর গুণ রয়েছে।
এই সব ঘরোয়া পদ্ধতি কেবল সাময়িক আরাম দিতে পারে এবং ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু যদি কানে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থাকে এবং ব্যথা দীর্ঘদিন থাকে তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।


























