ইধি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, আগুন লাগার কয়েক ঘণ্টা পরও উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ অভিযান চলছিল। পুলিশ সার্জন ডা. সুমাইয়া সৈয়দ নিশ্চিত করেছেন, এ পর্যন্ত ছয়টি মরদেহ ও অন্তত ১১ জন আহতকে করাচির সিভিল হাসপাতালে আনা হয়েছে।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন সংস্থার অন্তত ২০টি দমকল ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়। নিখোঁজদের তথ্য জানাতে সিন্ধু সরকার হেল্পলাইন চালু করেছে।
প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। মলের ভেতরে ক্রোকারিজ, কাপড়, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, প্রসাধনী ও সুগন্ধিসহ দাহ্য পণ্য থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
ভবনটি পুরোনো হওয়ায় যেকোনো সময় ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। তাই অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অভিযান চালানো হচ্ছে। এদিকে আগুন নেভাতে গিয়ে ফুরকান নামে এক দমকলকর্মী নিহত হয়েছেন। ঘটনার পর যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য রেঞ্জার্স মোতায়েন করা হয়েছে। তারা উদ্ধার অভিযান, নিরাপত্তা ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে।
সিন্ধুর গভর্নর কামরান টেসোরি ও মুখ্য সচিব আসিফ হায়দার শাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
করাচির মেয়র মুর্তজা ওহাব মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে জানান, শহীদ দমকলকর্মীর পরিবারের পাশে থাকবে করাচি মেট্রোপলিটন কর্পোরেশন। রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ গুল প্লাজার অগ্নিকাণ্ডে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তার নির্দেশ দিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

























