গত বছর জুলাইয়ে মায়ানমারকে তাদের মাটিতে হারিয়ে এএফসি এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। প্রথমবারের মতো এ টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে প্রশংসায় ভেসেছিলেন ঋতুপর্ণা, মণিকারা। এরপর কেটে গেছে বেশ কয়েক মাস। বাংলাদেশের মেয়েরা নতুন আরেকটি ইতিহাস গড়ার অপেক্ষায় কঠোর অনুশীলন করেছেন।
তারা এই ট্রফি জিতেছে রেকর্ড ৯ বার। এবারও দলটি শিরোপা ঘরে তোলার লক্ষ্যেই মাঠে নামছে, তা সহজেই অনুমেয়। প্রথম আসরের অভিষেক ম্যাচই সব থেকে কঠিন প্রতিপক্ষ পাচ্ছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ-চীন মুখোমুখি হবে ৩ মার্চ বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায়।
উত্তর কোরিয়া
এবারের আসরের শিরোপার অন্যতম দাবিদার উত্তর কোরিয়া।
ফিফা র্যাংকিংয়ের নবম স্থানে থাকা দলটি বাছাইপর্বের গ্রুপ পর্ব পেরিয়েছে খুব সহজেই। তাজিকিস্তান ও ফিলিস্তিনকে ১০-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দেওয়ার পর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয় ছিল ৬-০ গোলে।
২০১০ আসরে রানার্সআপ হওয়া দলটি সর্বশেষ তিন আসরে খেলেনি। একবার নিষেধাজ্ঞায়, আরেকবার বাছাই উতরাতে না পারায় আর সর্বশেষবার নিজেরাই নাম প্রত্যাহার করায়। তবে দেড় দশকের বিরতি পড়ে গেলেও শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবেই ৬ মার্চ বাংলাদেশের সামনে হাজির হচ্ছে উত্তর কোরিয়া।
উজবেকিস্তান
দীর্ঘ ২৩ বছর পর এশিয়ান কাপে ফিরেছে উজবেকিস্তান। এই আসরে এর আগে চার বার অংশগ্রহণ করলেও কখনো গ্রুপ পর্ব উতরাতে পারেনি দলটি। তাই দলটির এবারের লক্ষ্য নকআউট। বাছাইপর্বে কঠিন পথই পাড়ি দিতে হয়েছে মধ্য এশিয়ার দেশটিকে। ‘এফ’ গ্রুপে শীর্ষ স্থানের জন্য নেপালের সঙ্গে রীতিমতো ‘যুদ্ধজয়’ করতে হয়েছে তাদের।
দুই দলই সমান ৭ পয়েন্ট, একই গোল ব্যবধান এবং এমনকি গোল করা (২০টি) ও গোল হজমের (৩টি) সংখ্যাতেও সমান অবস্থানে গ্রুপ পর্ব শেষ করে। যে কারণে ২০২৫ সালের ৫ জুলাই তাসখন্দের মিলি স্টেডিয়ামে এশিয়ান কাপের টিকিট নির্ধারিত হয় পেনাল্টি শুটআউটের মাধ্যমে। সেই শুটআউটে স্নায়ুচাপ ধরে রেখে ৪–২ ব্যবধানে জিতে অস্ট্রেলিয়ার টিকিট কাটে উজবেকিস্তান।
ফিফা রায়ঙ্কিংয়ে ১০৪ থাকা বাংলাদেশের তিন প্রতিপক্ষের মধ্যে উজবেকিস্তান তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ হলেও ফিফা র্যঙ্কিংয়ে তাদের অবস্থান ৪৯।
বাংলাদেশ-উজবেকিস্তান ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ৯ মার্চ।
























