এখন গ্রীষ্মকাল সারা বাংলাদেশে তরমুজের সময় চলতেছে।শীতে বীজ বপন করলে গ্রীষ্মে ফল পাকে। এবারে তরমুজের ফলন ভালো হওয়াই বাজারে কম মুল্যে পাওয়া যাচ্ছে।
তরমুজের লাল রসের গুনাগুন
………………………..………
* পাকা তরমুজের লাল রসের সাথে অল্প জিরার গুঁড়ো মিশুয়ে, তার সাথে অল্প চিনি দিয়ে খেলে হার্টের রোগে বেশ উপকারী।
* কাঁচা তরমুজের শাঁস কুচি কুচি কেটে রেদে শুকিয়ে, গুড়াে করে, এরপর এক কাপ গরম দুধে দুই চা চামুচ পরিমানে তরমুজে গুড়ো মিশিয়ে সকাল ও বিকাল পান করলে অপুষ্টি দুর হয়, পুষ্টির বিকাশ ঘটে।
* টাইফয়েটের প্রবল জ্বরে পাকা তরমুজের রস পান করলে জ্বর নেমে আসে।
* প্রস্রাবে কমে গেলে বা জ্বালাপোড়া হলে পাকা তরমুজের কালো বিচি রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে একগ্লাস ঠান্ডা পানিতে পরিমান মতো শুকনো তরমুজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিনে দুই তিন বার পান করলে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া বন্ধ হবে।
* তরমুজ নিয়মিত খেলে নিম্নে-
*হার্টের সুরক্ষা হয়।
*রক্তনালিতে রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক থকে।
*উচ্চরক্ত চাপ কমে।
*কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা সমাধান হয়।
*ক্ষধা বৃদ্ধি হয়।
*হজম বাড়ে,শরীর ঠান্ডা থাকে।
*সুনিদ্রা হয়, ওজন কমে।
প্রতি ১০০ গ্রামে তরমুজের পুষ্টির পরিমাণ যথাঃ
. প্রোটিন ০.২ গ্রাম
. ক্যালসিয়ম ১১ গ্রাম
. শর্করা ১০.৩ গ্রাম
. ফসফরাস ১২ গ্রাম
. লৌহ ৭.৯ গ্রাম
. ভিটামিন বি ১২ গ্রাম
. জলীয় ৯৭%
. খাদ্য শক্তি ১৬ কিলোক্যালরি।
উপসংহার
………………
গ্রীষ্মের গরমে প্রচুর ঘাম বেরিয়ে যায় বলেই মানুষের ক্লান্তি আসে। কিন্ত মহান আল্লাহতালা এই ক্লান্তি দূরীকরণে তরমুজ নামক ফল দিয়েছেন। তরমুজের শাঁস দিয়ে আচার তৈরি হয়। পাকা তরমুজের কালো বিচি রোদে শুকিয়ে ভেষজ ওষুধ তৈরি করা হয়। গ্রীষ্ম কালে সল্প সময়ের জন্য অত্যন্ত তরমুজ জনপ্রিয় ফল।
জেনারেল চিকিৎসক
মোঃ হেলাল উদ্দিন
ডি আই এম (মেডিসিন)
ডি এ এম এস (ন্যাচারাল মেডিসিন)
এম সি এইচ (মা ও শিশু রোগ)






















