অভিযোগকারী মো. হাদিস হোসেন জানান, তার স্ত্রী রোজিনা আক্তার তাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে সন্তানদেরসহ বাসা থেকে বের হয়ে যান।
ঘটনাসূত্রে জানা যায়, পরবর্তীতে আনন্দবাজার গুচ্ছগ্রাম এলাকায় গেলে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাকে আটক করা হয়। এ সময় এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
হাদিস হোসেন আরও অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী নিয়মিত ইয়াবা সেবন করতেন এবং এ জন্য প্রতিদিন তার কাছে টাকা দাবি করতেন। বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল বলেও তিনি দাবি করেন।
তবে অভিযুক্ত রোজিনা আক্তারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে
ভোলার তজুমদ্দিন 





















