ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদুল আজহা উপলক্ষে কেনাকাটার সময় বাড়ল: দোকান খোলা রাত ১০টা পর্যন্ত।

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুবিধার্থে দেশের বিপণিবিতান ও দোকানপাট খোলা রাখার সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে সরকার। আগামী ১২ মে থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যবসায়ীরা এখন থেকে প্রতিদিন রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে পারবেন।

 

জ্বালানি সংকটের কথা মাথায় রেখে গত ৩ এপ্রিল থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধের কড়া নির্দেশ ছিল। পরবর্তীতে ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে তা এক ঘণ্টা বাড়িয়ে ৭টা করা হয়। তবে সামনে কুরবানি ঈদ হওয়ায় কেনাকাটার চাপ সামলাতে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সময় বৃদ্ধির আবেদন জানায়।

দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন এক ভিডিও বার্তায় নিশ্চিত করেছেন যে, তারা রাত ১১টা পর্যন্ত সময় চেয়েছিলেন, তবে সরকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রাত ১০টা পর্যন্ত অনুমতি প্রদান করেছে।

সরকার দোকান খোলার সময় বাড়ালেও বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে উৎসবের সময় যে অতিরিক্ত আলোকসজ্জা করা হয়, তা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে যাতে বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর বাড়তি চাপ না পড়ে

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদুল আজহা উপলক্ষে কেনাকাটার সময় বাড়ল: দোকান খোলা রাত ১০টা পর্যন্ত।

আপডেট সময় : ০৩:০২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুবিধার্থে দেশের বিপণিবিতান ও দোকানপাট খোলা রাখার সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে সরকার। আগামী ১২ মে থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যবসায়ীরা এখন থেকে প্রতিদিন রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে পারবেন।

 

জ্বালানি সংকটের কথা মাথায় রেখে গত ৩ এপ্রিল থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধের কড়া নির্দেশ ছিল। পরবর্তীতে ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে তা এক ঘণ্টা বাড়িয়ে ৭টা করা হয়। তবে সামনে কুরবানি ঈদ হওয়ায় কেনাকাটার চাপ সামলাতে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সময় বৃদ্ধির আবেদন জানায়।

দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন এক ভিডিও বার্তায় নিশ্চিত করেছেন যে, তারা রাত ১১টা পর্যন্ত সময় চেয়েছিলেন, তবে সরকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রাত ১০টা পর্যন্ত অনুমতি প্রদান করেছে।

সরকার দোকান খোলার সময় বাড়ালেও বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে উৎসবের সময় যে অতিরিক্ত আলোকসজ্জা করা হয়, তা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে যাতে বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর বাড়তি চাপ না পড়ে