ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল সংঘাতের জেরে কাতারে ক্ষেপণাস্ত্র আ,ত,ঙ্ক, হা,ম,লা প্রতি,হত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল সংঘাতের জেরে কাতারে ক্ষেপণাস্ত্র আ,ত,ঙ্ক, হা,ম,লা প্রতি,হত

দোহা, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-সংক্রান্ত সামরিক সংঘাতের প্রভাব কাতারেও ছড়িয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও সরকারি সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরান প্রতিশোধমূলকভাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যার সম্ভাব্য লক্ষ্যগুলোর মধ্যে কাতারের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিও ছিল।
এ সময় দোহাসহ উপসাগরীয় বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়। তবে কাতারের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আগত ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দেশের আকাশসীমা লক্ষ্য করে চালানো হামলা প্রতিহত করা হয়েছে এবং প্রাথমিক তদন্তে কোনো হতাহতের ঘটনা বা আবাসিক এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি নাগরিকদের অজানা বস্তু বা ধ্বংসাবশেষের কাছাকাছি না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত সামরিক হামলার পর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ইরান পাল্টা আঘাত হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে। এর ফলে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতসহ বিভিন্ন দেশে নিরাপত্তা সতর্কতা জোরদার করা হয়।
এদিকে সংঘাতের জেরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। বেশ কয়েকটি দেশ সাময়িকভাবে আকাশসীমা বন্ধ করে দেয় এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই হামলা সরাসরি কাতারকে লক্ষ্য করে পূর্ণমাত্রার আক্রমণ নয়, বরং অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্বার্থকে কেন্দ্র করে সংঘটিত পাল্টা সামরিক প্রতিক্রিয়ার অংশ। তবুও ঘটনাটি উপসাগরীয় অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন করে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
সরকারি মহল নাগরিক ও প্রবাসীদের গুজবে কান না দিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পটুয়াখালী গলাচিপায় ১৫০০ পিস ইয়াবাসহ নারীসহ চার মাদক কারবারি আটক।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল সংঘাতের জেরে কাতারে ক্ষেপণাস্ত্র আ,ত,ঙ্ক, হা,ম,লা প্রতি,হত

আপডেট সময় : ০৩:০৪:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দোহা, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-সংক্রান্ত সামরিক সংঘাতের প্রভাব কাতারেও ছড়িয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও সরকারি সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরান প্রতিশোধমূলকভাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যার সম্ভাব্য লক্ষ্যগুলোর মধ্যে কাতারের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিও ছিল।
এ সময় দোহাসহ উপসাগরীয় বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়। তবে কাতারের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আগত ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দেশের আকাশসীমা লক্ষ্য করে চালানো হামলা প্রতিহত করা হয়েছে এবং প্রাথমিক তদন্তে কোনো হতাহতের ঘটনা বা আবাসিক এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি নাগরিকদের অজানা বস্তু বা ধ্বংসাবশেষের কাছাকাছি না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত সামরিক হামলার পর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ইরান পাল্টা আঘাত হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে। এর ফলে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতসহ বিভিন্ন দেশে নিরাপত্তা সতর্কতা জোরদার করা হয়।
এদিকে সংঘাতের জেরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। বেশ কয়েকটি দেশ সাময়িকভাবে আকাশসীমা বন্ধ করে দেয় এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই হামলা সরাসরি কাতারকে লক্ষ্য করে পূর্ণমাত্রার আক্রমণ নয়, বরং অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্বার্থকে কেন্দ্র করে সংঘটিত পাল্টা সামরিক প্রতিক্রিয়ার অংশ। তবুও ঘটনাটি উপসাগরীয় অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন করে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
সরকারি মহল নাগরিক ও প্রবাসীদের গুজবে কান না দিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেছে।