ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানি বিপ্লবী গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত’ করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

ইরানি বিপ্লবী গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত’ করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৃহস্পতিবার ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) জোটের ‘সন্ত্রাসী তালিকা’-তে অন্তর্ভুক্ত করতে সম্মত হতে পারেন বলে জানিয়েছেন ইইউর পররাষ্ট্রনীতির প্রধান। ইরানের গণবিক্ষোভে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের পর এ প্রস্তাবটি আসে।

ব্রাসেলসে মন্ত্রীদের বৈঠকের আগে শীর্ষ কূটনীতিক কাজা কাল্লাস সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনি যদি সন্ত্রাসীর মতো কাজ করেন, তবে আপনাকে সন্ত্রাসী হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত।’

তিনি বলেন, এই পদক্ষেপের ফলে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর মতো জিহাদি সংগঠনগুলোর সমপর্যায়ে স্থান পাবে।

ইইউর এই প্রতীকী পদক্ষেপ দেশজুড়ে বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ নিহত হওয়ার প্রতিবেদনের পর ইরানের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দার বার্তা দেবে।

২৭ সদস্যের এই জোটটি নৃশংস দমন-পীড়নের অভিযোগে ২১টি রাষ্ট্রীয় সংস্থা ও ইরানি কর্মকর্তার ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ জব্দের সিদ্ধান্তও অনুমোদন করতে যাচ্ছে—যার মধ্যে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও অন্তর্ভুক্ত থাকার কথা।

ইরানি কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে, বিক্ষোভ চলাকালে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং নিহতের সংখ্যা তিন হাজারেরও বেশি বলে জানিয়েছে। তবে তাদের দাবি, নিহতদের অধিকাংশই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য অথবা ‘দাঙ্গাবাজদের’ হাতে নিহত পথচারী।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলছে, নিহতের সংখ্যা অনেক বেশি। তারা উল্লেখ করছে, বিপ্লবী গার্ড বাহিনীসহ নিরাপত্তা বাহিনী সরাসরি গুলি চালিয়ে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ইরানি বিপ্লবী গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত’ করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

আপডেট সময় : ১২:৪৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৃহস্পতিবার ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) জোটের ‘সন্ত্রাসী তালিকা’-তে অন্তর্ভুক্ত করতে সম্মত হতে পারেন বলে জানিয়েছেন ইইউর পররাষ্ট্রনীতির প্রধান। ইরানের গণবিক্ষোভে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের পর এ প্রস্তাবটি আসে।

ব্রাসেলসে মন্ত্রীদের বৈঠকের আগে শীর্ষ কূটনীতিক কাজা কাল্লাস সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনি যদি সন্ত্রাসীর মতো কাজ করেন, তবে আপনাকে সন্ত্রাসী হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত।’

তিনি বলেন, এই পদক্ষেপের ফলে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর মতো জিহাদি সংগঠনগুলোর সমপর্যায়ে স্থান পাবে।

ইইউর এই প্রতীকী পদক্ষেপ দেশজুড়ে বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ নিহত হওয়ার প্রতিবেদনের পর ইরানের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দার বার্তা দেবে।

২৭ সদস্যের এই জোটটি নৃশংস দমন-পীড়নের অভিযোগে ২১টি রাষ্ট্রীয় সংস্থা ও ইরানি কর্মকর্তার ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ জব্দের সিদ্ধান্তও অনুমোদন করতে যাচ্ছে—যার মধ্যে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও অন্তর্ভুক্ত থাকার কথা।

ইরানি কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে, বিক্ষোভ চলাকালে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং নিহতের সংখ্যা তিন হাজারেরও বেশি বলে জানিয়েছে। তবে তাদের দাবি, নিহতদের অধিকাংশই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য অথবা ‘দাঙ্গাবাজদের’ হাতে নিহত পথচারী।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলছে, নিহতের সংখ্যা অনেক বেশি। তারা উল্লেখ করছে, বিপ্লবী গার্ড বাহিনীসহ নিরাপত্তা বাহিনী সরাসরি গুলি চালিয়ে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করেছে।