চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা মালুমঘাট এলাকায় এক নারীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার মামলার প্রধান আসামি রফিকুল আজমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৬ মে) কক্সবাজার জেলা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিজ্ঞ বিচারক তার আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রফিকুল আজম তার প্রতিবেশী এক নারীর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে ওই নারী গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হলে দীর্ঘদিন ধরে তিনি পলাতক ছিলেন।
আসামি রফিকুল আজম ডুলাহাজারা মালুমঘাট এলাকার বাসিন্দা এবং রামু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে কর্মরত বলে জানা গেছে। একজন সরকারি চাকরিজীবীর এমন ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণের পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে হেফাজতে নেয় এবং আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।
এদিকে, একই মামলায় রফিকুল আজমের আরও দুই সহযোগী ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এখনও পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রফিকুল আজমের গ্রেপ্তার ও কারাগারে প্রেরণের খবরে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা দ্রুত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার এবং এই নৃশংস হামলার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, “আইন সবার জন্য সমান—আমরা চাই অপরাধীরা দ্রুত আইনের আওতায় এসে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাক।”






















