ঢাকা ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যেখানে অপরাধ, সেখানেই পুরস্কার! কানুনগো শহিদুলের ডাবল সেঞ্চুরি দুর্নীতির পাহাড় টপকে আকস্মিক পদোন্নতি!

 

 

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার আলোচিত কানুনগো মোঃ শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি এবং বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমল থেকে সিন্ডিকেট গড়ে তুলে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, মাঠপর্যায়ে তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও অভিযোগের পাহাড় থাকা সত্ত্বেও, সেই পটুয়াখালীর এলএ শাখাতেই সম্প্রতি তাঁকে ‘অতিরিক্ত ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা’ (ALAO) হিসেবে আকস্মিক পদোন্নতি দিয়ে পদায়ন করার প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এই পদোন্নতির খবরে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।ফ্যাসিস্ট আমলের ‘একক রাজত্ব’ ও দুর্নীতির সিন্ডিকেট অনুসন্ধানে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকেই পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখাকে নিজের একক রাজত্বে পরিণত করেন কানুনগো মোঃ শহিদুল ইসলাম। পটুয়াখালী ইপিজেড (EPZ), পায়রা বন্দরসহ সরকারের বিভিন্ন মেগা ও উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের চেক ছাড় করতে তিনি একটি শক্তিশালী দালাল ও সার্ভেয়ার চক্র গড়ে তোলেন। ভুক্তভোগী জমির মালিকদের অভিযোগ, শহিদুল ইসলামের এই সিন্ডিকেটকে ১০% থেকে ২০% পর্যন্ত মোটা অঙ্কের ঘুষ ও কমিশন না দিলে ফাইল আটকে দেওয়া হতো এবং মাসের পর মাস মানুষকে হয়রানি করা হতো।ভুক্তভোগীদের বিস্ফোরক মন্তব্য: “ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না”কানুনগো শহিদুল ইসলামের দুর্নীতির ভয়াবহতা নিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী মুখ খুলেছেন।পটুয়াখালী ইপিজেড জমি হারানো নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমার পৈতৃক ভিটেমাটি অধিগ্রহণের পর ক্ষতিপূরণের চেকে সই করার জন্য শহিদুল ইসলাম ও তাঁর দালাল চক্র সরাসরি ১৫% কমিশন দাবি করে। আমি দিতে রাজি না হওয়ায় ফাইলে ভুল আছে বলে মাসের পর মাস আমাকে ঘোরানো হয়। পরে বাধ্য হয়ে তাদের দাবি করা টাকা দেওয়ার পর চেক পেয়েছি। এই অফিসে ঘুষ ছাড়া একটা ফাইলও নড়ে না।”পায়রা বন্দর সংলগ্ন এলাকার আরেকজন ভুক্তভোগী, যিনি হয়রানির ভয়ে নাম প্রকাশ করতে চাননি, তিনি জানান, “শহিদুল ইসলাম নিজেকে এলএ শাখার অলিখিত ‘বাদশাহ’ মনে করেন। বিগত সরকারের প্রভাবশালী নেতাদের সাথে তাঁর দহরম-মহরম ছিল। সাধারণ মানুষ তাঁর রুমে গেলে তিনি পাত্তাই দিতেন না, দালালের মাধ্যমে টাকা না পাঠালে কোনো কাজ হতো না। এখন শুনছি তাঁর নাকি পদোন্নতি হচ্ছে! যেখানে অপরাধের বিচার হওয়ার কথা, সেখানে তাকে পুরস্কৃত করা হচ্ছে।
“আকস্মিক পদোন্নতি:
যেখানে অপরাধ, সেখানেই পুরস্কার!ভূমি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠতা তালিকার ভিত্তিতে কানুনগো পদ থেকে ‘অতিরিক্ত ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা’ (ALAO) পদে শহিদুল ইসলামের এই আকস্মিক পদোন্নতিকে ‘রহস্যজনক’ ও ‘পুরস্কার’ হিসেবে দেখছেন ভুক্তভোগীরা। সাধারণত কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে বা বিভাগীয় তদন্ত চলমান থাকলে পদোন্নতি স্থগিত থাকার কথা। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাব ও বিপুল অর্থের জোরে শহিদুল ইসলাম শুধু পদোন্নতিই পাননি, বরং যে পটুয়াখালী কার্যালয়ে তিনি বছরের পর বছর অনিয়ম চালিয়েছেন, সেখানেই উচ্চতর পদে বহাল থাকার জোর তদবির চালাচ্ছেন বলে গুঞ্জন উঠেছে।

বরিশাল ও পটুয়াখালীতে রাজকীয় ভবনের সন্ধান: নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ রয়েছে, বিগত সরকারের প্রভাবশালী মহলকে ম্যানেজ করে এলএ শাখার প্রতিটি ফাইল থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এই কর্মকর্তা। এই অবৈধ আয়ের অর্থ দিয়ে তিনি বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলায় গড়ে তুলেছেন রাজকীয় সম্পদের সাম্রাজ্য।অনুসন্ধানে জানা যায়, বরিশাল শহরের ২২ নং ওয়ার্ডের জিয়া সড়কে রয়েছে তাঁর একটি দৃষ্টিনন্দন ও আলিশান পাঁচ তলা বিশিষ্ট বাড়ি, যেখানে তিনি তাঁর পরিবার নিয়ে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। শুধু তাই নয়, বরিশাল শহরের রূপাতলী হাউজিং এলাকাতেও রয়েছে তাঁর মালিকানাধীন আরও একটি পাঁচ তলা বিশিষ্ট বহুতল ভবন। এছাড়াও বরিশাল ও পটুয়াখালীর বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় তাঁর নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকা মূল্যের একাধিক ফ্ল্যাট ও বাণিজ্যিক প্লট রয়েছে বলে জানা গেছে। সরকারি একজন সাধারণ কানুনগোর আয়ের উৎসের সাথে অর্জিত এই বিপুল পরিমাণ ও বিলাসবহুল সম্পদের কোনো সামঞ্জস্য নেই বলে স্থানীয়দের দাবি।উচ্চপর্যায়ে অভিযোগের প্রস্তুতিজানা গেছে, এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার খুঁটির জোর ও অবৈধ সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখতে এবং তাঁর এই রহস্যজনক পদোন্নতি বাতিলের দাবিতে ভুক্তভোগী ও সচেতন মহলের পক্ষ থেকে একযোগে সরকারের উচ্চপর্যায়ে লিখিত অভিযোগ দায়েরের জোর প্রস্তুতি চলছে। অতি দ্রুত ভূমি মন্ত্রী, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার এবং পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক বরাবর এই সুনির্দিষ্ট অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে এবং তাঁর এই আকস্মিক পদোন্নতি ও বিপুল সম্পদের উৎসের ব্যাপারে প্রশ্ন করতে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। বারবার ফোন দিয়েও তাঁর কোনো সাড়া না পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য প্রতিবেদনে যুক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এই বিষয়ে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

যেখানে অপরাধ, সেখানেই পুরস্কার! কানুনগো শহিদুলের ডাবল সেঞ্চুরি দুর্নীতির পাহাড় টপকে আকস্মিক পদোন্নতি!

আপডেট সময় : ০৫:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

 

 

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার আলোচিত কানুনগো মোঃ শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি এবং বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমল থেকে সিন্ডিকেট গড়ে তুলে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, মাঠপর্যায়ে তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও অভিযোগের পাহাড় থাকা সত্ত্বেও, সেই পটুয়াখালীর এলএ শাখাতেই সম্প্রতি তাঁকে ‘অতিরিক্ত ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা’ (ALAO) হিসেবে আকস্মিক পদোন্নতি দিয়ে পদায়ন করার প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এই পদোন্নতির খবরে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।ফ্যাসিস্ট আমলের ‘একক রাজত্ব’ ও দুর্নীতির সিন্ডিকেট অনুসন্ধানে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকেই পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখাকে নিজের একক রাজত্বে পরিণত করেন কানুনগো মোঃ শহিদুল ইসলাম। পটুয়াখালী ইপিজেড (EPZ), পায়রা বন্দরসহ সরকারের বিভিন্ন মেগা ও উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের চেক ছাড় করতে তিনি একটি শক্তিশালী দালাল ও সার্ভেয়ার চক্র গড়ে তোলেন। ভুক্তভোগী জমির মালিকদের অভিযোগ, শহিদুল ইসলামের এই সিন্ডিকেটকে ১০% থেকে ২০% পর্যন্ত মোটা অঙ্কের ঘুষ ও কমিশন না দিলে ফাইল আটকে দেওয়া হতো এবং মাসের পর মাস মানুষকে হয়রানি করা হতো।ভুক্তভোগীদের বিস্ফোরক মন্তব্য: “ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না”কানুনগো শহিদুল ইসলামের দুর্নীতির ভয়াবহতা নিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী মুখ খুলেছেন।পটুয়াখালী ইপিজেড জমি হারানো নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমার পৈতৃক ভিটেমাটি অধিগ্রহণের পর ক্ষতিপূরণের চেকে সই করার জন্য শহিদুল ইসলাম ও তাঁর দালাল চক্র সরাসরি ১৫% কমিশন দাবি করে। আমি দিতে রাজি না হওয়ায় ফাইলে ভুল আছে বলে মাসের পর মাস আমাকে ঘোরানো হয়। পরে বাধ্য হয়ে তাদের দাবি করা টাকা দেওয়ার পর চেক পেয়েছি। এই অফিসে ঘুষ ছাড়া একটা ফাইলও নড়ে না।”পায়রা বন্দর সংলগ্ন এলাকার আরেকজন ভুক্তভোগী, যিনি হয়রানির ভয়ে নাম প্রকাশ করতে চাননি, তিনি জানান, “শহিদুল ইসলাম নিজেকে এলএ শাখার অলিখিত ‘বাদশাহ’ মনে করেন। বিগত সরকারের প্রভাবশালী নেতাদের সাথে তাঁর দহরম-মহরম ছিল। সাধারণ মানুষ তাঁর রুমে গেলে তিনি পাত্তাই দিতেন না, দালালের মাধ্যমে টাকা না পাঠালে কোনো কাজ হতো না। এখন শুনছি তাঁর নাকি পদোন্নতি হচ্ছে! যেখানে অপরাধের বিচার হওয়ার কথা, সেখানে তাকে পুরস্কৃত করা হচ্ছে।
“আকস্মিক পদোন্নতি:
যেখানে অপরাধ, সেখানেই পুরস্কার!ভূমি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠতা তালিকার ভিত্তিতে কানুনগো পদ থেকে ‘অতিরিক্ত ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা’ (ALAO) পদে শহিদুল ইসলামের এই আকস্মিক পদোন্নতিকে ‘রহস্যজনক’ ও ‘পুরস্কার’ হিসেবে দেখছেন ভুক্তভোগীরা। সাধারণত কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে বা বিভাগীয় তদন্ত চলমান থাকলে পদোন্নতি স্থগিত থাকার কথা। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাব ও বিপুল অর্থের জোরে শহিদুল ইসলাম শুধু পদোন্নতিই পাননি, বরং যে পটুয়াখালী কার্যালয়ে তিনি বছরের পর বছর অনিয়ম চালিয়েছেন, সেখানেই উচ্চতর পদে বহাল থাকার জোর তদবির চালাচ্ছেন বলে গুঞ্জন উঠেছে।

বরিশাল ও পটুয়াখালীতে রাজকীয় ভবনের সন্ধান: নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ রয়েছে, বিগত সরকারের প্রভাবশালী মহলকে ম্যানেজ করে এলএ শাখার প্রতিটি ফাইল থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এই কর্মকর্তা। এই অবৈধ আয়ের অর্থ দিয়ে তিনি বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলায় গড়ে তুলেছেন রাজকীয় সম্পদের সাম্রাজ্য।অনুসন্ধানে জানা যায়, বরিশাল শহরের ২২ নং ওয়ার্ডের জিয়া সড়কে রয়েছে তাঁর একটি দৃষ্টিনন্দন ও আলিশান পাঁচ তলা বিশিষ্ট বাড়ি, যেখানে তিনি তাঁর পরিবার নিয়ে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। শুধু তাই নয়, বরিশাল শহরের রূপাতলী হাউজিং এলাকাতেও রয়েছে তাঁর মালিকানাধীন আরও একটি পাঁচ তলা বিশিষ্ট বহুতল ভবন। এছাড়াও বরিশাল ও পটুয়াখালীর বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় তাঁর নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকা মূল্যের একাধিক ফ্ল্যাট ও বাণিজ্যিক প্লট রয়েছে বলে জানা গেছে। সরকারি একজন সাধারণ কানুনগোর আয়ের উৎসের সাথে অর্জিত এই বিপুল পরিমাণ ও বিলাসবহুল সম্পদের কোনো সামঞ্জস্য নেই বলে স্থানীয়দের দাবি।উচ্চপর্যায়ে অভিযোগের প্রস্তুতিজানা গেছে, এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার খুঁটির জোর ও অবৈধ সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখতে এবং তাঁর এই রহস্যজনক পদোন্নতি বাতিলের দাবিতে ভুক্তভোগী ও সচেতন মহলের পক্ষ থেকে একযোগে সরকারের উচ্চপর্যায়ে লিখিত অভিযোগ দায়েরের জোর প্রস্তুতি চলছে। অতি দ্রুত ভূমি মন্ত্রী, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার এবং পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক বরাবর এই সুনির্দিষ্ট অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে এবং তাঁর এই আকস্মিক পদোন্নতি ও বিপুল সম্পদের উৎসের ব্যাপারে প্রশ্ন করতে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। বারবার ফোন দিয়েও তাঁর কোনো সাড়া না পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য প্রতিবেদনে যুক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এই বিষয়ে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।