ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“মির্জাপুরের হাটুভাংগা বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়”

যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে টাংগাইলের মির্জাপুর উপজেলার অন্তর্গত আজগান ইউনিয়নের হাটুভাংগা বাস স্ট্যান্ড জামে মসজিদে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজের অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা বয়সী ও পেশার মুসল্লিরা নামাযে সমবেত হতে শুরু করেন।
প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টাই। নামায পরিচালনা করেন হাফেজ মো: রাছেল মাহমুদ।
​এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী এবং সর্বস্তরের সাধারণ মুসল্লিরা এই জামাতে অংশ নেন।

খুতবা নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় খুতবা, নামাজ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন, কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মো: রাছেল মাহমুদ।

​ঈদের জামাত অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​নামাজ শেষে মুসল্লিরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি করার মধ্য দিয়ে ঈদের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

“মির্জাপুরের হাটুভাংগা বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়”

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে টাংগাইলের মির্জাপুর উপজেলার অন্তর্গত আজগান ইউনিয়নের হাটুভাংগা বাস স্ট্যান্ড জামে মসজিদে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজের অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা বয়সী ও পেশার মুসল্লিরা নামাযে সমবেত হতে শুরু করেন।
প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টাই। নামায পরিচালনা করেন হাফেজ মো: রাছেল মাহমুদ।
​এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী এবং সর্বস্তরের সাধারণ মুসল্লিরা এই জামাতে অংশ নেন।

খুতবা নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় খুতবা, নামাজ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন, কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মো: রাছেল মাহমুদ।

​ঈদের জামাত অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​নামাজ শেষে মুসল্লিরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি করার মধ্য দিয়ে ঈদের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।