ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝুঁকিপূর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয় চিহ্নিত করতে তথ্য চেয়েছে সরকার

ঝুঁকিপূর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয় চিহ্নিত করতে তথ্য চেয়েছে সরকার

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন এবং দীর্ঘ ২৫ বছরেও যেসব বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ হয়নি, সেসব বিদ্যালয়ের তালিকা চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ বিষয়ে দেশের সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিলের সই করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণকাজ ডিপিই বাস্তবায়ন করে থাকে। তবে নানা অবকাঠামোগত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও অনেক বিদ্যালয়ে এখনো পাঠদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, যেসব বিদ্যালয় ভবন অতি পুরোনো, যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে, ভবনের কলাম, বীম বা ছাদে ফাটল দেখা দিয়েছে, ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিংবা প্লাস্টার খসে রড বেরিয়ে পড়েছে, এসব ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। এছাড়া কমিটি কর্তৃক অকেজো ঘোষিত ভবনও এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে।

এতে আরও বলা হয়, যেসব বিদ্যালয়ে আলাদা টিনশেড ঘর বা অস্থায়ী টিনশেড কক্ষ রয়েছে, সেগুলোও নতুন ভবন নির্মাণের জন্য রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে বিবেচিত হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়নের স্বার্থে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে এবং দীর্ঘ ২৫ বছরেও যেসব বিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণ হয়নি, সেসব বিদ্যালয়ের জেলা ভিত্তিক তথ্য জরুরিভিত্তিতে পাঠাতে হবে। আগামী ২৪ মের তারিখের মধ্যে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী সফট কপি ই-মেইলে এবং হার্ড কপি ডাকযোগে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠির অনুলিপি বিভাগীয় উপপরিচালক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝুঁকিপূর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয় চিহ্নিত করতে তথ্য চেয়েছে সরকার

আপডেট সময় : ০২:৪৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন এবং দীর্ঘ ২৫ বছরেও যেসব বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ হয়নি, সেসব বিদ্যালয়ের তালিকা চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ বিষয়ে দেশের সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিলের সই করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণকাজ ডিপিই বাস্তবায়ন করে থাকে। তবে নানা অবকাঠামোগত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও অনেক বিদ্যালয়ে এখনো পাঠদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, যেসব বিদ্যালয় ভবন অতি পুরোনো, যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে, ভবনের কলাম, বীম বা ছাদে ফাটল দেখা দিয়েছে, ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিংবা প্লাস্টার খসে রড বেরিয়ে পড়েছে, এসব ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। এছাড়া কমিটি কর্তৃক অকেজো ঘোষিত ভবনও এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে।

এতে আরও বলা হয়, যেসব বিদ্যালয়ে আলাদা টিনশেড ঘর বা অস্থায়ী টিনশেড কক্ষ রয়েছে, সেগুলোও নতুন ভবন নির্মাণের জন্য রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে বিবেচিত হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়নের স্বার্থে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে এবং দীর্ঘ ২৫ বছরেও যেসব বিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণ হয়নি, সেসব বিদ্যালয়ের জেলা ভিত্তিক তথ্য জরুরিভিত্তিতে পাঠাতে হবে। আগামী ২৪ মের তারিখের মধ্যে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী সফট কপি ই-মেইলে এবং হার্ড কপি ডাকযোগে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠির অনুলিপি বিভাগীয় উপপরিচালক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।