বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ওই পোস্টে রাশেদ খান লেখেন, গতকাল মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সংসদে দাঁড়িয়ে নাহিদ ইসলাম দুর্নীতির প্রমাণ চেয়েছেন। আমি ধরেই নিলাম তিনি নিজে কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়াননি।
বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ওই পোস্টে রাশেদ খান লেখেন, গতকাল মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সংসদে দাঁড়িয়ে নাহিদ ইসলাম দুর্নীতির প্রমাণ চেয়েছেন। আমি ধরেই নিলাম তিনি নিজে কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়াননি।
‘তিনি নিজেও বলেছিলেন, কয়েকজন উপদেষ্টাকে বিশ্বাস করে প্রতারিত হয়েছি। এসব উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে বর্তমানে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আসছে। নাহিদ ইসলাম তাদের নিয়োগকর্তা ছিলেন। সুতরাং তিনি কি এসবের দায় এড়াতে পারেন?’
ওই পোস্টে লেখা হয়, ‘এ ছাড়া তিনি নিজেই বলেছিলেন, বিভিন্ন ধনী ব্যক্তিরা এনসিপিকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছেন! সেই ধনী ব্যক্তি আসলে কারা? তারা কি এমনি এমনি এনসিপিকে চাঁদা দিয়ে যাচ্ছেন? শেখ বশির উদ্দিন তো এমন কোনো ব্যক্তি ছিলেন না যে, তাকে গণ-অভ্যুত্থানের সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা করা লাগবে।
‘আর সবথেকে বড় বিষয় তিনি উপদেষ্টা পদে থাকাকালীন এনসিপি গঠন করেছেন। এটা বড় ধরনের নৈতিক অপরাধ। তিনি যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন, সেই তথ্য মন্ত্রণালয়ের কোনো সংস্কার হয়েছিল? এই মন্ত্রণালয়ের ১৬ বছরের দুর্নীতির তথ্য তিনি জানাতে পেরেছিলেন? বরং তিনি দায়িত্ব ছাড়ার সময় যাকে তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে বসিয়ে এলেন, তিনি দুটো টেলিভিশন চ্যানেলকে শেখ হাসিনার আমলের আইনে লাইসেন্স দিলেন। এর দায় কি নাহিদ ইসলাম এড়াতে পারেন?’