চায়ের সঙ্গে বিভিন্ন নাস্তা বা স্ন্যাকস খাওয়ার চল রয়েছে।
চায়ের সঙ্গে কোন কোন খাবার খেলে স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে, জেনে নিন।
আয়রন সমৃদ্ধ খাবার
চায়ের সঙ্গে আয়রনযুক্ত খাবার খাওয়া সবচেয়ে ক্ষতিকারক কম্বিনেশনগুলোর মধ্যে অন্যতম।
ঠাণ্ডা বা বরফযুক্ত খাবার
চায়ের মতো গরম পানীয়ের সঙ্গে সঙ্গে ঠাণ্ডা খাবার (যেমন আইসক্রিম বা বরফ মিশ্রিত পানি) খাওয়া হজম প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে।
কারণ : হজমের সঠিক কার্যকারিতার জন্য পাকস্থলির তাপমাত্রা স্থিতিশীল থাকা প্রয়োজন। গরম ও ঠাণ্ডা খাবারের এই দ্রুত পরিবর্তন হজমের এনজাইমগুলোর কার্যকারিতাকে বিঘ্নিত করে।
সমস্যা : এর ফলে হজমের সমস্যা, পেটে গ্যাস বা এসিডিটি হতে পারে।
কারণ : গরম চায়ে লেবু বা এসিডিক কিছু যোগ করলে চায়ের দুধ জমাট বাঁধতে পারে।
সমস্যা : লেবু ও দুধের এই মিশ্রণ অনেকের পেটেই হজম হতে চায় না, যা গ্যাস বা ফোলাভাব সৃষ্টি করতে পারে।
ময়দা বা বেসন জাতীয় ভাজা স্ন্যাকস
চায়ের সঙ্গে অনেকেই বেসনের তৈরি ভাজা খাবার বা ময়দার স্ন্যাকস (যেমন শিঙাড়া, পাকোড়া, বিস্কুট) খেতে পছন্দ করেন।
কারণ : এই ভাজা ও প্রক্রিয়াজাত খাবারগুলোতে প্রচুর পরিমাণে তেল ও ফ্যাট থাকে। চায়ের ক্যাফেইন হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করলেও, ফ্যাটযুক্ত খাবার হজম হতে অনেক বেশি সময় নেয়।
সমস্যা : এই কম্বিনেশন বুকজ্বালা, এসিডিটি ও দীর্ঘমেয়াদি হজমের সমস্যার কারণ হতে পারে।
মিষ্টি ও প্রক্রিয়াজাত চিনি
চায়ের সঙ্গে অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার বা প্রক্রিয়াজাত চিনিযুক্ত বিস্কুট বা কেক খাওয়া উচিত নয়।
কারণ : চায়ে এমনিতেই ক্যাফেইন ও ট্যানিন থাকে। মিষ্টির সঙ্গে মিশলে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়, যা ডায়াবেটিস ও ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়ায়।
চা পান করা একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস হতে পারে, যদি না এর সঙ্গে ভুল খাবারগুলো মেশানো হয়। আয়রন সমৃদ্ধ খাবার ও ট্যানিনের মিশ্রণ এড়িয়ে চলা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। হজমের সমস্যা এড়াতে ভাজা ও অতিরিক্ত মিষ্টি খাবারও চায়ের সময় থেকে দূরে রাখা উচিত। চা পানের অন্তত এক ঘণ্টা আগে বা পরে আয়রনযুক্ত খাবার খাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস
অনলাইন ডেস্ক 

























