হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘আটককৃত জাহাজটি নাম স্কিপার। জাহাজটি ‘অবৈধ তেল পরিবহন’-এর সঙ্গে জড়িত ছিল এবং জাহাজটিকে একটি আমেরিকান বন্দরে নিয়ে যাওয়া হবে।
কারাকাস এটিকে ‘আন্তর্জাতিক জলদস্যুতা’ বলে বর্ণনা করেছে।
এদিকে ভেনিজুয়েলা থেকে মাদক বহনকারী নৌকাগুলোতে মার্কিন হামলায় কয়েক ডজন নিহত হয়েছে। আমেরিকান যুদ্ধজাহাজও এই অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। মাদুরোর বিরুদ্ধে মার্কিন চাপ ক্রমশ বাড়ছেই।
ট্রাম্প প্রশাসন ভেনিজুয়েলার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারের অভিযোগ করেছে। বিশ্বের বৃহত্তম তেল মজুদের স্থান ভেনিজুয়েলা। দেশটি ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে সম্পদ চুরি করার চেষ্টা করার অভিযোগ করেছে। বুধবার মাদুরো প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ভেনিজুয়েলা কখনোই ‘তেল উপনিবেশ’ হয়ে উঠবে না।
তবে হোয়াইট হাউসের প্রেসসচিব বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, আমেরিকা ‘দেশে অবৈধ মাদকের প্রবাহ বন্ধ’ এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপ উভয় ক্ষেত্রেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভেনিজুয়েলার তেল পরিবহনকারী আরো জাহাজ জব্দ করার পরিকল্পনা করেছে কি না ওই বিষয়ে, তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
লেভিট বলেন, তারা কালোবাজারের তেল বহন করা অনুমোদিত জাহাজগুলোকে সমুদ্রে চলাচল করতে দেবে না, কারণ এতে বিশ্বজুড়ে অবৈধ শাসক ও দুর্বৃত্তরা মাদক–সন্ত্রাসবাদ চালিয়ে যেতে উৎসাহ পাবে।
তিনি জানান, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে আমেরিকা স্কিপার নামের জাহাজ থেকে তেল জব্দ করার পরিকল্পনা করেছে।
লেভিট আরো বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন মাদুরোকে ফোন করে মস্কোর সমর্থনের কথা জানিয়েছেন—এ খবর শুনে ট্রাম্প মোটেও চিন্তিত হবেন না।
পরে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, মাদুরোর স্ত্রীর তিন ভাগ্নে, কিছু ব্যবসা ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলে মাদুরোর ‘স্বৈরাচারী ও নিষ্ঠুর শাসন’ মোকাবেলা করা সহজ হবে।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন মাদুরো সরকার ও তার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি ও কম্পানিগুলোকে তাদের অপরাধের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনছে।
অনলাইন ডেস্ক 

























