ঢাকা ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেনিনে সামরিক অভ্যুত্থানের ঘোষণা দিল সেনারা

বেনিনে সামরিক অভ্যুত্থানের ঘোষণা দিল সেনারা

পশ্চিম আফ্রিকায় চলমান অস্থিরতার মধ্যে বেনিনে আবারও সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছে। রবিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এসে সেনাবাহিনীর একদল সদস্য সরকার ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেন।তারা নিজেদের ‘মিলিটারি কমিটি ফর রিফাউন্ডেশন’ পরিচয়ে জানায়, প্রেসিডেন্ট, সরকার এবং সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে অপসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পাসকাল তিগ্রিকে কমিটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তারা।

ফ্রান্সের কাছ থেকে ১৯৬০ সালে স্বাধীনতা পাওয়ার পর বেনিনে একাধিকবার সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছে। তবে ১৯৯১ সালের পর থেকে দেশটি বেশ স্থিতিশীল ছিল। বিশেষ করে মার্কসবাদ–লেনিনবাদী নেতা ম্যাথিউ কেরেকুর দীর্ঘ শাসন শেষে দেশটি গণতন্ত্রে ফিরে আসে।

তালোঁর শাসনের শেষ?

প্রেসিডেন্ট পাত্রিস তালোঁ ২০১৬ সাল থেকে ক্ষমতায় আছেন।

আগামী এপ্রিলের নির্বাচনের পর তিনি পদ ছাড়ার কথা ছিল। নির্বাচনে তার দলের প্রার্থী, সাবেক অর্থমন্ত্রী রোমুয়াল্ড ওয়াদাগনি ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছিলেন। অন্যদিকে বিরোধী প্রার্থী রেনো আগবদজো পর্যাপ্ত স্পনসর না থাকায় নির্বাচন কমিশন তার প্রার্থিতা বাতিল করে। গত মাসেই বেনিনের সংসদ প্রেসিডেন্টের মেয়াদ ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ৭ বছর করেছে, যদিও মোট দুই মেয়াদের সীমা একই রাখা হয়েছে।

এই অভ্যুত্থান পশ্চিম আফ্রিকায় সাম্প্রতিক সামরিক নিয়ন্ত্রণ দখলের ধারাবাহিকতার সর্বশেষ ঘটনা। মাত্র এক সপ্তাহ আগে গিনি-বিসাউতেও অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সাবেক প্রেসিডেন্ট উমারু এমবালোকে অপসারণ করা হয়, যেখানে বিতর্কিত নির্বাচনের পর সরকার ও বিরোধী উভয় প্রার্থীই নিজেদের বিজয় দাবি করেছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

বেনিনে সামরিক অভ্যুত্থানের ঘোষণা দিল সেনারা

আপডেট সময় : ১১:০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
পশ্চিম আফ্রিকায় চলমান অস্থিরতার মধ্যে বেনিনে আবারও সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছে। রবিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এসে সেনাবাহিনীর একদল সদস্য সরকার ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেন।তারা নিজেদের ‘মিলিটারি কমিটি ফর রিফাউন্ডেশন’ পরিচয়ে জানায়, প্রেসিডেন্ট, সরকার এবং সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে অপসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পাসকাল তিগ্রিকে কমিটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তারা।

ফ্রান্সের কাছ থেকে ১৯৬০ সালে স্বাধীনতা পাওয়ার পর বেনিনে একাধিকবার সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছে। তবে ১৯৯১ সালের পর থেকে দেশটি বেশ স্থিতিশীল ছিল। বিশেষ করে মার্কসবাদ–লেনিনবাদী নেতা ম্যাথিউ কেরেকুর দীর্ঘ শাসন শেষে দেশটি গণতন্ত্রে ফিরে আসে।

তালোঁর শাসনের শেষ?

প্রেসিডেন্ট পাত্রিস তালোঁ ২০১৬ সাল থেকে ক্ষমতায় আছেন।

আগামী এপ্রিলের নির্বাচনের পর তিনি পদ ছাড়ার কথা ছিল। নির্বাচনে তার দলের প্রার্থী, সাবেক অর্থমন্ত্রী রোমুয়াল্ড ওয়াদাগনি ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছিলেন। অন্যদিকে বিরোধী প্রার্থী রেনো আগবদজো পর্যাপ্ত স্পনসর না থাকায় নির্বাচন কমিশন তার প্রার্থিতা বাতিল করে। গত মাসেই বেনিনের সংসদ প্রেসিডেন্টের মেয়াদ ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ৭ বছর করেছে, যদিও মোট দুই মেয়াদের সীমা একই রাখা হয়েছে।

এই অভ্যুত্থান পশ্চিম আফ্রিকায় সাম্প্রতিক সামরিক নিয়ন্ত্রণ দখলের ধারাবাহিকতার সর্বশেষ ঘটনা। মাত্র এক সপ্তাহ আগে গিনি-বিসাউতেও অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সাবেক প্রেসিডেন্ট উমারু এমবালোকে অপসারণ করা হয়, যেখানে বিতর্কিত নির্বাচনের পর সরকার ও বিরোধী উভয় প্রার্থীই নিজেদের বিজয় দাবি করেছিলেন।