ঢাকা ০১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

 

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী একজন নিরহংকার ব্যক্তিত্ব ও মানবিক আচরণে মুগ্ধ হয়েছেন ছাতক উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ। সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ভাতগাঁও ইউনিয়নের আনুজানি গ্রামের এই কৃতি সন্তান সম্প্রতি নিজ এলাকায় এসে আবারও সাধারণ মানুষের হৃদয় জয় করেছেন।গত ২৩ এপ্রিল তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠিত ইসরাইলপুর দাখিল মাদ্রাসায় দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পোশাক বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে তিনি শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান করেন এবং মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়নে এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।অনুষ্ঠান শেষে তাঁর জন্য গাড়ির ব্যবস্থা থাকলেও তিনি পায়ে হেঁটে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের সুখ-দুঃখের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তাঁর এমন আন্তরিক আচরণ উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে বিচারপতি ইমান আলী বলেন, “এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু আমার নয়, এটি আপনাদের সবার। প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।” তাঁর এই বক্তব্যে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং সম্মিলিত উদ্যোগের প্রতি আস্থার প্রতিফলন ঘটেছে।দায়িত্ব পালনকালীন সময়েও তিনি রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে ছিলেন। অবসর গ্রহণের পরও তিনি একইভাবে সাধারণ মানুষের ভালোবাসাকে প্রাধান্য দিয়ে চলছেন। তাঁর বিনয়, সরলতা ও প্রচারবিমুখ জীবনযাপন তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।ছাতকবাসীর প্রত্যাশা ছিল, তিনি একদিন দেশের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করবেন। যদিও সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি, তবুও তাঁর প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা আজও অটুট রয়েছে।সাবেক বিচারপতি ইমান আলী শুধু ছাতকের গর্ব নন, তিনি সুনামগঞ্জ তথা সমগ্র বাংলাদেশের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

 

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী একজন নিরহংকার ব্যক্তিত্ব ও মানবিক আচরণে মুগ্ধ হয়েছেন ছাতক উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ। সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ভাতগাঁও ইউনিয়নের আনুজানি গ্রামের এই কৃতি সন্তান সম্প্রতি নিজ এলাকায় এসে আবারও সাধারণ মানুষের হৃদয় জয় করেছেন।গত ২৩ এপ্রিল তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠিত ইসরাইলপুর দাখিল মাদ্রাসায় দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পোশাক বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে তিনি শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান করেন এবং মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়নে এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।অনুষ্ঠান শেষে তাঁর জন্য গাড়ির ব্যবস্থা থাকলেও তিনি পায়ে হেঁটে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের সুখ-দুঃখের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তাঁর এমন আন্তরিক আচরণ উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে বিচারপতি ইমান আলী বলেন, “এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু আমার নয়, এটি আপনাদের সবার। প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।” তাঁর এই বক্তব্যে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং সম্মিলিত উদ্যোগের প্রতি আস্থার প্রতিফলন ঘটেছে।দায়িত্ব পালনকালীন সময়েও তিনি রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে ছিলেন। অবসর গ্রহণের পরও তিনি একইভাবে সাধারণ মানুষের ভালোবাসাকে প্রাধান্য দিয়ে চলছেন। তাঁর বিনয়, সরলতা ও প্রচারবিমুখ জীবনযাপন তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।ছাতকবাসীর প্রত্যাশা ছিল, তিনি একদিন দেশের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করবেন। যদিও সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি, তবুও তাঁর প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা আজও অটুট রয়েছে।সাবেক বিচারপতি ইমান আলী শুধু ছাতকের গর্ব নন, তিনি সুনামগঞ্জ তথা সমগ্র বাংলাদেশের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।