মোঃ কাজী আলতাব হোসেন। হাতীবান্ধা(লালমনিরহাট) থেকে দীর্ঘদিন যাবত লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার উত্তর পারুলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক সংকটে ভুগছেন প্রধান শিক্ষক সহশিক্ষার্থীরা
শিক্ষক চাহিদা দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রধান শিক্ষকএকাধিকবার লিখিত আবেদন দাখিল করলেও রহস্য জনক কারনে সকল আবেদন ফাইল বন্দি রয়ে গেছে শিক্ষা অফিসে,রহস্য জনক কারনে আমলে নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ মর্ম্মে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে উপজেলার পাটিকাবাড়ী ইউনিয়ের অবহেলিত তিস্তা নদীর এলাকার উত্তর পারুলিয়া গ্রামে অবস্থিত উক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়টি,
বিগত ১৯৫৬ ইং সালে স্থাপিত হয়েছে।বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা লগ্ম থেকে শত সুনাম অর্জন করলেও আজও বধিকোনউন্নয়নেরছোয়ালাগেনি,এবিদ্যালয়ে
জোটেনি একটি পাকা ভবন।,অবিশ্বাষ্য হলেও সত্য যে,উপজেলায় মোট ১৭৮ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তন্মধ্যে এই অবহেলিত উত্তর পারুলিয়াগ্রামে একটি মাত্র বিদ্যালয় টিনসেট নির্মীত রয়েছে।অপর ১৭৭ টি বিদ্যালয় পাকা এবং বহুতল ভবন নির্মান করা হয়েছে। অত্যান্ত পরিতাপের বিষয় ৭০ বছর পুর্বে স্থাপিত হলেও শুধু মাত্র এই একটি বিদ্যালয়ই বৈষম্যের শিকার নয়তো রহস্য জনক কারনে আজও পর্যন্ত টিন সেটে রয়ে গেছে।এছারাও বিরাজমান বিভিন্ন সমস্যার আবর্তে ভুগছেন। গত বৃহস্পতিবার সরোজমিনে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হলে এ প্রতিনিধি কে বিদ্যালয়ের ভুক্ত ভোগী প্রধান শিক্ষক শরীফুল হক,বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক সংকটে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত সহ বিদ্যালয়ে বিরাজমান নানা সমস্যা সমুহ প্রত্যক্ষ করান।এসময় প্রধান শিক্ষক বলেন বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট সহ বিরাজ মান সমস্যা সমুহ সমাধানের দাবী জানিয়েে এম,পি,ইউ,এন,ও জেলা,ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এর নিকট একাধিক বার আবেদন দাখিল করা হয়েছে।কিন্তু আজও পর্যন্ত কোন সুফল পাওয়া যায়নি।পরিশেষে গত ২২ /০৬/২৬ ইং তারিখ এলাকার জাতীয় সংসদ সদস্য এর নিকট আবেদন করা হলে সংসদ সদস্য ব্যারীষ্টার হাসান রাজীব প্রধান সুপারিশ করে আবেদন পত্র খানা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর নিকট প্রেরন করেন।পরর্বতীতে নির্বাহী অফিসার আবেদন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে শিক্ষা অফিসারএর নিকট প্রেরন করেন।পরিতাপের বিষয় সকল আবেদনই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফাইল বন্দি করে রেখে দিয়েছেন।বিষয় টি নিয়ে উপজেলা নিবাহী অফিসার এর সাথে যোগাযোগ করা হলে নির্বাহী অফিসার দীপ জন মিত্র জানান আবেদন পত্র প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনকরতে শিক্ষা অফিসার এর নিকট প্রেরন করা হয়েছে। এরপর শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করা হলে শিক্ষা অফিসার জাকিউজ্জামান বলেন বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কমিটির সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে পরর্বতী সি্দ্ধান্ত গ্রগনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হবে।এদিকে যে সব বিদ্যালয়ে একাধিক শাখা নেইএবং। । সমপরিমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা হলেও।শুধু মাত্র উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জাকিউজ্জামান নেতা নেত্রীর সুপারিশ ক্রমে রহস্য জনক কারনে চাহিদার তুলনায় অধিক শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে। বিদ্যালয়গুলো হচ্ছে হাতীবান্ধা১নংসরকারী
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৩ জন,হাতীবান্ধা ২ নং মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২ জন,শাহ গরীবুল্লাহ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৩ জন,সিঙ্গীমারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০জন,বালা পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯জন,গেন্দুকুড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১১জন,ভবানীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০জন ও,বড়খাতা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০জন,বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু দৃষ্টি প্রয়োজন।
হাতীবান্ধায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট পাঠদান ব্যাহত,কর্তৃপক্ষ আমলে নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষক এরএকাধিক আবেদন।
জনপ্রিয় সংবাদ




















