ঢাকা ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে শ্বশুরের লালসার শিকার পুত্রবধূ, ঘরে আগুন

 

হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানাধীন ১ নং গাজীপুর ইউনিয়নের দুধপাতিল গ্রামে শ্বশুরের লালসার শিকার হয়েছেন তারই পুত্রবধূ। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী বিচার চাইয়া আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২১/০৬/২০২৬ ইং তারিখ রবিবার সকাল ১০:০ ঘটিকায় ভুক্তভোগীর শ্বশুর মোঃ রুহুল আমিন জোরপূর্বক মহিলার রুমে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। মহিলার আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করতে চাইলে রুহুল আমিন তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।

ঘটনার খবর পেয়ে উক্ত ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি সেলিম আহমেদ সোনাই মিয়া ঘটনাস্থলে আসলে অভিযুক্ত তার উপরও চড়াও হয়। এলাকাবাসী তাকে আটক করতে চাইলে কৌশলে সে পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি তার শ্বশুর কর্তৃক এহেন আচরণে অতিষ্ঠ। উল্লেখ্য, রুহুল আমিন বিভিন্ন সময় তার উপর কুদৃষ্টি, কুপ্রস্তাব ও খারাপ অঙ্গভঙ্গি করতেন।

ভুক্তভোগীকে স্বামী ত্যাগ করতে চাপ দিয়ে তিনি বলতেন, “তোমার স্বামী অক্ষম, তাকে ত্যাগ করে আমার কাছে চলে এসো।” এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তার স্বামীসহ পরিবারকে জানালে অভিযুক্ত ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনার দিন তার ঘরে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে রুহুল আমিনকে পুত্রবধূর উপর দেখতে পান এবং তাকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে অভিযুক্ত মেয়েটির ঘরের দরজা বন্ধ করে ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এলাকাবাসীর চেষ্টায় আগুন নেভানো হয়।

স্থানীয় মুরুব্বিরা জানান, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং ঘটনার সত্যতা পাই।

এলাকাবাসী এই ঘৃণ্য অপরাধের দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে শ্বশুরের লালসার শিকার পুত্রবধূ, ঘরে আগুন

আপডেট সময় : ০৮:৪০:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

 

হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানাধীন ১ নং গাজীপুর ইউনিয়নের দুধপাতিল গ্রামে শ্বশুরের লালসার শিকার হয়েছেন তারই পুত্রবধূ। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী বিচার চাইয়া আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২১/০৬/২০২৬ ইং তারিখ রবিবার সকাল ১০:০ ঘটিকায় ভুক্তভোগীর শ্বশুর মোঃ রুহুল আমিন জোরপূর্বক মহিলার রুমে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। মহিলার আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করতে চাইলে রুহুল আমিন তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।

ঘটনার খবর পেয়ে উক্ত ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি সেলিম আহমেদ সোনাই মিয়া ঘটনাস্থলে আসলে অভিযুক্ত তার উপরও চড়াও হয়। এলাকাবাসী তাকে আটক করতে চাইলে কৌশলে সে পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি তার শ্বশুর কর্তৃক এহেন আচরণে অতিষ্ঠ। উল্লেখ্য, রুহুল আমিন বিভিন্ন সময় তার উপর কুদৃষ্টি, কুপ্রস্তাব ও খারাপ অঙ্গভঙ্গি করতেন।

ভুক্তভোগীকে স্বামী ত্যাগ করতে চাপ দিয়ে তিনি বলতেন, “তোমার স্বামী অক্ষম, তাকে ত্যাগ করে আমার কাছে চলে এসো।” এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তার স্বামীসহ পরিবারকে জানালে অভিযুক্ত ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনার দিন তার ঘরে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে রুহুল আমিনকে পুত্রবধূর উপর দেখতে পান এবং তাকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে অভিযুক্ত মেয়েটির ঘরের দরজা বন্ধ করে ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এলাকাবাসীর চেষ্টায় আগুন নেভানো হয়।

স্থানীয় মুরুব্বিরা জানান, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং ঘটনার সত্যতা পাই।

এলাকাবাসী এই ঘৃণ্য অপরাধের দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।