ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বপ্ন ভাসিয়ে নিল পাহাড়ি ঢল, লামার মাছচাষির ৮ লাখ টাকার ক্ষতি

 

বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের টংকা ঝিড়ি এলাকায় পাহাড়ি ঢলে একটি মাছের খামারের সব মাছ ভেসে গেছে। এতে প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন খামারের মালিক মো. জসিম উদ্দিন।
সম্প্রতি টানা ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে উপজেলার সরই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের টংকা ঝিড়ি এলাকায় প্রায় ১০ একর জমির ওপর গড়ে তোলা মাছের খামারের সবগুলো পুকুরের বাঁধ ভেঙে যায়। এতে মুহূর্তের মধ্যে পুকুরে থাকা মাছ পানির স্রোতে ভেসে যায়। খামার মালিকের দাবি, এ ঘটনায় তার ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
খামার মালিক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, “ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে অনেক স্বপ্ন নিয়ে মাছের খামার গড়ে তুলেছিলাম। কিন্তু পাহাড়ি ঢলে সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। এখন আমি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছি। খামারের বাঁধ পুনর্নির্মাণ, পুকুর সংস্কার এবং নতুন করে মাছের পোনা ছাড়তে বিপুল অর্থের প্রয়োজন, যা আমার পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়।”
তিনি ক্ষয়ক্ষতির সঠিক মূল্যায়ন করে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও জেলা প্রশাসনের জরুরি সহযোগিতা কামনা করেন।
এদিকে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এ খামারিকে দ্রুত আর্থিক সহায়তা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের টিকিয়ে রাখতে সরকারি সহায়তা জরুরি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত খামারি ও এলাকাবাসী।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

স্বপ্ন ভাসিয়ে নিল পাহাড়ি ঢল, লামার মাছচাষির ৮ লাখ টাকার ক্ষতি

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

 

বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের টংকা ঝিড়ি এলাকায় পাহাড়ি ঢলে একটি মাছের খামারের সব মাছ ভেসে গেছে। এতে প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন খামারের মালিক মো. জসিম উদ্দিন।
সম্প্রতি টানা ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে উপজেলার সরই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের টংকা ঝিড়ি এলাকায় প্রায় ১০ একর জমির ওপর গড়ে তোলা মাছের খামারের সবগুলো পুকুরের বাঁধ ভেঙে যায়। এতে মুহূর্তের মধ্যে পুকুরে থাকা মাছ পানির স্রোতে ভেসে যায়। খামার মালিকের দাবি, এ ঘটনায় তার ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
খামার মালিক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, “ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে অনেক স্বপ্ন নিয়ে মাছের খামার গড়ে তুলেছিলাম। কিন্তু পাহাড়ি ঢলে সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। এখন আমি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছি। খামারের বাঁধ পুনর্নির্মাণ, পুকুর সংস্কার এবং নতুন করে মাছের পোনা ছাড়তে বিপুল অর্থের প্রয়োজন, যা আমার পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়।”
তিনি ক্ষয়ক্ষতির সঠিক মূল্যায়ন করে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও জেলা প্রশাসনের জরুরি সহযোগিতা কামনা করেন।
এদিকে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এ খামারিকে দ্রুত আর্থিক সহায়তা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের টিকিয়ে রাখতে সরকারি সহায়তা জরুরি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত খামারি ও এলাকাবাসী।