স্বপ্ন ছিল মাছ বেঁচে পরিবারের মুখে হাসি ফুটাবে এবং পরিবারকে নিয়ে সুখে শান্তিতে খাবে, পরিবার চলার পাশাপাশি ছেলে মেয়েকে স্কুলে পড়ানোর বিষয় নিও জেনেও খুশিতে আত্মহারা হয়েছিলেন এক তরুণ মৎস্যজীবী হারুন মিয়া, সব স্বপ্ন ভেসে নিয়ে গেল বন্যায় পানি, চার লক্ষ টাকার মাছ ছেড়ে দেওয়া ছিল এক পুকুরে,
কথা বলছিলাম গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের নাকাই গ্রামের এক মৎস্যজীবী তরুন হারুন মিয়ার কথা, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলাধীন ডাঙ্গার বিল নামক ১৮ বিঘার জমি লিজ নেন সরকার থেকে, দুই লক্ষ ২৫ হাজার টাকা দিয়ে এক বছরে জন্য লিজ ডেকে নেন, হারুন মিয়া,তরুণ মৎস্যজীবীর মুখ থেকে জানা যায় যে তিনি এই মাছ চাষ করেন, লোনের টাকা দিয়ে, তিনি বলেন ব্যাংক থেকে টাকা লোন নিয়ে আমি মাছ চাষ শুরু করি এবং মাছ বিক্রি করতে গেলে পাঁচ থেকে ছয় লাখের উপরে আমি মাছ বিক্রি করতাম, সব স্বপ্ন আমার পানিতে ভেসে গেল, এই বেদনাদায়ক কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন মৎস্যজীবী হারুন মিয়া, গাইবান্ধা প্রতিনিধি ইসমাইল সিরাজীর পাঠানো ভিডিও চিত্র একটি ডেস্ক রিপোর্ট।
ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যজীবী কারী বলেন, পুকুরটি আমি লিজ নেই সরকার থেকে এবং এখানে মাছ ছাড়ি প্রায় তিন থেকে চার লক্ষ টাকা, ব্যাংকের লোন করে এই মাছ ছেড়ে দেই, পাঁচ মাস অতিবাহিত হয়ে গেছে মাছ ছাড়া পর এখন যেকোনো মুহূর্তে বিক্রি করলে আমি পাঁচ থেকে ছয় লাখ বিক্রি করতে পারতাম সব মাছ বন্যার পানিতে ভেসে গেল বলে জানান তিনি,
সরজমিরে গিয়ে দেখতে পায়, বন্যের পানিতে একাকার হয়ে গিয়েছে পুকুর এবং খাল বিল,
উপজেলা মৎস্যজীবী কর্মকর্তা বলেন, এবারের বৃষ্টির পানি বন্যাতে অনেক মৎস্যজীবী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমরা এ পর্যন্ত অনেক জায়গায় সরজমিনে গিয়েছি দেখে রিপোর্ট করেছি ব্যবস্থা নিবো সরকারি যে ব্যবস্থা সেটা করব সহযোগিতা করব ইনশাল্লাহ।
(মোঃইসমাইল সিরাজী) গাইবান্ধা প্রতিনিধি, 



















