প্রথম লেগে কাই হাভার্টজের করা একমাত্র গোলই হয়ে ওঠে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারক। সেই লিড ধরে রেখেই সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে মিকেল আর্তেতার দল।
তবে ম্যাচে খুব একটা ছন্দে ছিল না আর্সেনাল। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে স্পোর্টিং। ত্রিনকাওর শট অল্পের জন্য বাইরে চলে গেলে যে যাত্রায় বেঁচে যায় আর্সেনাল।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোল পেয়েই যাচ্ছিল স্পোর্টিং। ম্যাক্সি আরাউহোর পাস থেকে কাটামোর ভলি পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এছাড়া গোলরক্ষক ডেভিড রায়ার একটি ভুলও প্রায় বিপদ ডেকে আনছিল।
দ্বিতীয়ার্ধেও চাপ ধরে রাখে স্পোর্টিং। তবে আর্সেনালের রক্ষণভাগ দৃঢ় থাকায় গোলের দেখা পায়নি তারা। অন্যদিকে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি ও ননি মাদুয়েকের সুযোগগুলোও কাজে লাগাতে পারেনি স্বাগতিকরা।
শেষ দিকে লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্ডের হেড পোস্টে লাগে, আর যোগ করা সময়ে জোয়াও সিমোএসের শট অল্পের জন্য বাইরে চলে গেলে বেঁচে যায় আর্সেনাল।
শেষ পর্যন্ত দুই লেগ মিলিয়ে ১-০ ব্যবধানে সেমিফাইনালে উঠেছে আর্সেনাল।
এখন তাদের সামনে আরো বড় চ্যালেঞ্জ, সেমিতে তাদের প্রতিপক্ষ অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ।
ক্রীড়া ডেস্ক 

























