ঢাকা, ৯ জুলাই: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বার্ষিক গ্রীষ্মকালীন যৌথ সামরিক মহড়া আজ এক অভূতপূর্ব ও উদ্দীপনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। মহড়ার চূড়ান্ত দিনে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই সশরীরে যুদ্ধক্ষেত্রে উপস্থিত হন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। সরকার প্রধানের এই আকস্মিক ও অতর্কিত পরিদর্শনে পুরো মহড়াস্থলে এক নতুন প্রাণচাঞ্চল্য ও বাড়তি উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়।
সেনাবাহিনীর রণপ্রস্তুতি ও আধুনিক যুদ্ধকৌশল সশরীরে পর্যবেক্ষণ করতে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি মহড়াস্থলের সম্মুখভাগে চলে যান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ।
পরিদর্শনের মূল হাইলাইটস:
রণকৌশল পর্যবেক্ষণ: প্রধানমন্ত্রী আধুনিক যুদ্ধাস্ত্রের ব্যবহার, পদাতিক ও সাঁজোয়া বাহিনীর সমন্বিত আক্রমণাত্মক কৌশল এবং আকাশ প্রতিরক্ষার মহড়া গভীর মনোযোগের সাথে অবলোকন করেন।
সৈনিকদের সাথে কুশল বিনিময়: প্রখর রোদ ও প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে প্রধানমন্ত্রী মহড়ায় অংশ নেওয়া সাধারণ সৈনিক ও কর্মকর্তাদের কাছে যান এবং তাদের খোঁজখবর নেন।
উচ্চ প্রশংসা: দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও প্রস্তুতির ভূয়সী প্রশংসা করেন সরকার প্রধান।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য:
সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন:
”আমাদের সশস্ত্র বাহিনী দেশের গৌরব। গ্রীষ্মকালীন এই কঠিন আবহাওয়ায় আপনাদের কঠোর পরিশ্রম ও যুদ্ধের উচ্চমাত্রার প্রস্তুতি প্রমাণ করে—বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্পূর্ণ সক্ষম। আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ও চৌকস বাহিনী হিসেবে বিশ্ব দরবারে আমাদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।”
প্রধানমন্ত্রীর এই ঝটিকা ও স্বতঃস্ফূর্ত সফর সেনাসদস্যদের মনোবল বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। মহড়া শেষে প্রধানমন্ত্রী সেখানে দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও জোয়ানদের সাথে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন।
টেকনাফে প্রতিনিধি মিসবাহ উল্লাহ প্রতিবেদনে বিস্তারিত দেখুন 

























