উত্তরের অবহেলিত জেলা কুড়িগ্রাম। এ জেলার নাগেশ্বরী উপজেলায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে অসহায়, দরিদ্র, বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ সরকারি ভাতা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন। এসব কার্যক্রমে নাগেশ্বরী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জনাব জামাল হোসেন নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন বলে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে প্রশংসা পাওয়া যাচ্ছে।
জানা গেছে, নাগেশ্বরী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়স্ক ভাতাসহ বিভিন্ন সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু রয়েছে। এসব কর্মসূচির সুবিধা যাতে প্রকৃত অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সমাজসেবা অফিসের পক্ষ থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
বিভিন্ন ইউনিয়নের ভাতাভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সমাজসেবা কর্মকর্তা জামাল হোসেন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সরকারি ভাতা সংক্রান্ত সেবায় তারা সহযোগিতা পাচ্ছেন। অনেক ভাতাভোগীর দাবি, কোনো ধরনের টাকা-পয়সা লেনদেন ছাড়াই তারা সরকারি ভাতার কার্ড পেয়েছেন এবং নিয়ম অনুযায়ী সুবিধা ভোগ করছেন।
স্থানীয় কয়েকজন ভাতাভোগী বলেন, আগে সরকারি সেবা নিতে নানা ধরনের হয়রানি বা অতিরিক্ত খরচের আশঙ্কা থাকলেও বর্তমানে সমাজসেবা কার্যালয়ের কার্যক্রমে তারা স্বস্তি পাচ্ছেন। বিশেষ করে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তার আন্তরিক ভূমিকা তাদের মধ্যে আশার সৃষ্টি করেছে।
নাগেশ্বরী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভিন্ন ভাতা কর্মসূচির মাধ্যমে অসংখ্য মানুষ নিয়মিত সহায়তা পাচ্ছেন। এতে পরিবারগুলোর দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি অসহায় মানুষের জীবনযাত্রায় কিছুটা স্বস্তি ফিরছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা আরও বেশি উপকৃত হবেন।
নাগেশ্বরী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জামাল হোসেনের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে স্থানীয়দের ইতিবাচক মন্তব্যে তার কর্মনিষ্ঠা ও জনবান্ধব ভূমিকার বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে সরকারি ভাতা বিতরণসহ সকল কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও নিয়মনীতি বজায় রাখার বিষয়টিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জামাল হোসেনে বলেন, আমি একজন সরকারি চাকরিজীবি, আমি সরকারের নিয়মিত মেনেই এবং নিষ্ঠার সহিত আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাবো।
মোঃ রেজাউল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার 



















