ঢাকা ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল :

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সিরাজগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের উদ্যোগে গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সিরাজগঞ্জ শহরের বাজার স্টেশন সংলগ্ন পৌর মুক্তমঞ্চে, এই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সিরাজগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল লতিফের নেতৃত্বে আয়োজিত সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন এবং জুলাই সনদ কার্যকর করার দাবি জানান। তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ যে প্রত্যাশা তৈরি করেছে, তা বাস্তবায়নে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে বক্তারা সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। দ্রুত গণভোটের গণরায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা না হলে সরকারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন তারা। এ সময় বক্তারা বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হলে অতীতের স্বৈরাচারী সরকারের মতো বর্তমান সরকারকেও ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হবে।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে পৌর মুক্তমঞ্চ এলাকা থেকে একটি গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়। মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা শাহীনুর আলম, সেক্রেটারি মো. জাহিদুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজিমউদ্দিন, পৌর জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মাহমুদ, জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন, ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল আজিজ সহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীগণ অস্থিত থেকে সমাবেশ সফল করেন ।
সমাবেশ ও গণমিছিল কে কেন্দ্র করে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। পরে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

সিরাজগঞ্জে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল :

আপডেট সময় : ০২:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সিরাজগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের উদ্যোগে গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সিরাজগঞ্জ শহরের বাজার স্টেশন সংলগ্ন পৌর মুক্তমঞ্চে, এই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সিরাজগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল লতিফের নেতৃত্বে আয়োজিত সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন এবং জুলাই সনদ কার্যকর করার দাবি জানান। তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ যে প্রত্যাশা তৈরি করেছে, তা বাস্তবায়নে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে বক্তারা সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। দ্রুত গণভোটের গণরায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা না হলে সরকারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন তারা। এ সময় বক্তারা বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হলে অতীতের স্বৈরাচারী সরকারের মতো বর্তমান সরকারকেও ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হবে।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে পৌর মুক্তমঞ্চ এলাকা থেকে একটি গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়। মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা শাহীনুর আলম, সেক্রেটারি মো. জাহিদুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজিমউদ্দিন, পৌর জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মাহমুদ, জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন, ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল আজিজ সহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীগণ অস্থিত থেকে সমাবেশ সফল করেন ।
সমাবেশ ও গণমিছিল কে কেন্দ্র করে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। পরে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ হয়।