ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরায় তীব্র দাবদাহের মধ্যে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ সাধারণ জনগণ

সাতক্ষীরায় তীব্র দাবদাহের মধ্যে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের অপর্যাপ্ত বরাদ্দ পাওয়ায় জেলাজুড়ে ভয়াবহ ও ঘন ঘন লোডশেডিং চলছে এবং ব্রহ্মরাজপুর, ভালুকা চাঁদপুর, কোমরপুর,সুপারি ঘাটা্ গ্রামে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বন্ধ রাখছে বিদ্যুৎ কর্মীরা জানান এলাকাবাসীরা । দিন-রাত ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকা এবং রাতে বারবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও সাধারণ মানুষের জনজীবন চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব পড়ছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও সরকারি দপ্তরে। ইন্টারনেট ও কম্পিউটার বন্ধ থাকায় অনলাইনে নির্ভরশীল সেবা যেমন ভোমরা কাস্টমসের কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।সাতক্ষীরায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে । জেলায় চাহিদার তুলনায় প্রায় ৩৭ শতাংশ কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় দিন-রাত মিলে ১১ থেকে ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। সাতক্ষীরায় বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৫০ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৯৫ মেগাওয়াট, যার ফলে ৫৫ মেগাওয়াট ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।জেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এবং ওজোপাডিকো (WZPDCL) মিলিয়ে মোট গ্রাহক সংখ্যা সাত লাখের বেশি । চরম গরমে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীদের নাভিশ্বাস উঠেছে।তীব্র বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব পড়েছে জেলার শিল্প ও কৃষিখাতে। সাতক্ষীরা বিসিক শিল্পনগরীর ৪২টি কারখানাসহ স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। সাধারণ জনগণের দাবি যেনো এই লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণ করে স্বাভাবিক অবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

সাতক্ষীরায় তীব্র দাবদাহের মধ্যে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ সাধারণ জনগণ

আপডেট সময় : ০৯:১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সাতক্ষীরায় তীব্র দাবদাহের মধ্যে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের অপর্যাপ্ত বরাদ্দ পাওয়ায় জেলাজুড়ে ভয়াবহ ও ঘন ঘন লোডশেডিং চলছে এবং ব্রহ্মরাজপুর, ভালুকা চাঁদপুর, কোমরপুর,সুপারি ঘাটা্ গ্রামে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বন্ধ রাখছে বিদ্যুৎ কর্মীরা জানান এলাকাবাসীরা । দিন-রাত ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকা এবং রাতে বারবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও সাধারণ মানুষের জনজীবন চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব পড়ছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও সরকারি দপ্তরে। ইন্টারনেট ও কম্পিউটার বন্ধ থাকায় অনলাইনে নির্ভরশীল সেবা যেমন ভোমরা কাস্টমসের কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।সাতক্ষীরায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে । জেলায় চাহিদার তুলনায় প্রায় ৩৭ শতাংশ কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় দিন-রাত মিলে ১১ থেকে ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। সাতক্ষীরায় বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৫০ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৯৫ মেগাওয়াট, যার ফলে ৫৫ মেগাওয়াট ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।জেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এবং ওজোপাডিকো (WZPDCL) মিলিয়ে মোট গ্রাহক সংখ্যা সাত লাখের বেশি । চরম গরমে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীদের নাভিশ্বাস উঠেছে।তীব্র বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব পড়েছে জেলার শিল্প ও কৃষিখাতে। সাতক্ষীরা বিসিক শিল্পনগরীর ৪২টি কারখানাসহ স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। সাধারণ জনগণের দাবি যেনো এই লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণ করে স্বাভাবিক অবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।