ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল আমিন কবিরের সততা ও কর্মদক্ষতায় ভূমি অফিসের প্রতি আস্থা ফিরেছে সর্বসাধারণের

করিমগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসের সেবার মানে আমূল পরিবর্তন এসেছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড আল আমিন কবিরের সততা, কর্মদক্ষতা এবং জনবান্ধব নানা উদ্যোগের কারণে হয়রানি ও দালালমুক্ত পরিবেশে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন সর্বসাধারণ। ফলে দীর্ঘদিন পর সরকারি এই গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরটির ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরে এসেছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অতীতে ভূমি অফিসে নামজারি (মিউটেশন), খতিয়ান সংশোধন, ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানসহ বিভিন্ন কাজের জন্য সাধারণ মানুষকে নানা ভোগান্তি পোহাতে হতো। কিন্তু বর্তমান এসিল্যান্ড আল আমিন কবির যোগদানের পর থেকেই অফিসের চিরচেনা সেই চিত্র বদলে যেতে শুরু করে। তিনি ‘দালালমুক্ত ভূমি অফিস’ বিনির্মাণে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন।

​ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা একাধিক সাধারণ সেবাগ্রহীতা সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, আগে যেখানে একটি নামজারি সম্পন্ন করতে মাসের পর মাস ঘুরতে হতো এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দ্বারস্থ হতে হতো, এখন সেখানে কোনো বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই সরকার নির্ধারিত ফি-তে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ হয়ে যাচ্ছে। সরকারি নিয়মকানুন মেনে হয়রানিমুক্ত সেবা পাওয়ায় সাধারণ মানুষ অত্যন্ত আনন্দিত।

​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আল আমিন কবির নিয়মিত গণশুনানির জন্য ‘মৃত্তিকা মায়া’নামে হেল্প ডেস্ক চালু করেন। তাছাড়া তার অফিসের দরজা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রেখে সরাসরি সেবাগ্রহীতাদের অভাব-অভিযোগ শুনছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা সমাধান করছেন। ডিজিটাল ভূমি সেবাকে গতিশীল করতে ই-নামজারি এবং অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত ও সচেতন করে তুলছেন তিনি। সরকারের ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা শতভাগ বাস্তবায়নে তার এই তৎপরতা ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।

​এলাকার সচেতন মহল মনে করেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার সদিচ্ছা এবং সততা যে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের পুরো চিত্র বদলে দিতে পারে, করিমগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিস তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল আমিন কবিরের এই কর্মদক্ষতা ও জনবান্ধব আচরণে প্রশাসনের ভাবমূর্তি যেমন উজ্জ্বল হয়েছে, তেমনি ভূমি সেবায় ফিরে এসেছে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।

যেকোনো স্থানে আইনভঙ্গ বা জনস্বার্থ বিঘ্নিত হওয়ার খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছেন। তাঁর এই ঝটিকা অভিযান ও কঠোর মনোভাবের কারণে অপরাধচক্র যেমন কোণঠাসা হয়ে পড়েছে, তেমনি স্বস্তি ফিরে এসেছে সাধারণ মানুষের মনে।

মাঠ প্রশাসনের একজন কর্মকর্তার এমন কর্মতৎপরতা ও সাহসিকতা উপজেলার সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করছে। জনস্বার্থে এই ভেজাল, মাদক ও পরিবেশ রক্ষামূলক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সর্বসাধারণ।

​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে করিমগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় আল আমিন কবিরের নেতৃত্বে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সফল অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

​এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল আমিন কবির বলেন, “ভূমি অফিসকে শতভাগ দুর্নীতি ও দালালমুক্ত রেখে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় দ্রুত ও স্বচ্ছতার সাথে সেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। সাধারণ মানুষ যেন কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়া তাদের ন্যায্য অধিকার ও সেবা পান, সেজন্য আমাদের এই আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল আমিন কবিরের সততা ও কর্মদক্ষতায় ভূমি অফিসের প্রতি আস্থা ফিরেছে সর্বসাধারণের

আপডেট সময় : ১১:২৯:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

করিমগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসের সেবার মানে আমূল পরিবর্তন এসেছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড আল আমিন কবিরের সততা, কর্মদক্ষতা এবং জনবান্ধব নানা উদ্যোগের কারণে হয়রানি ও দালালমুক্ত পরিবেশে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন সর্বসাধারণ। ফলে দীর্ঘদিন পর সরকারি এই গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরটির ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরে এসেছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অতীতে ভূমি অফিসে নামজারি (মিউটেশন), খতিয়ান সংশোধন, ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানসহ বিভিন্ন কাজের জন্য সাধারণ মানুষকে নানা ভোগান্তি পোহাতে হতো। কিন্তু বর্তমান এসিল্যান্ড আল আমিন কবির যোগদানের পর থেকেই অফিসের চিরচেনা সেই চিত্র বদলে যেতে শুরু করে। তিনি ‘দালালমুক্ত ভূমি অফিস’ বিনির্মাণে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন।

​ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা একাধিক সাধারণ সেবাগ্রহীতা সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, আগে যেখানে একটি নামজারি সম্পন্ন করতে মাসের পর মাস ঘুরতে হতো এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দ্বারস্থ হতে হতো, এখন সেখানে কোনো বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই সরকার নির্ধারিত ফি-তে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ হয়ে যাচ্ছে। সরকারি নিয়মকানুন মেনে হয়রানিমুক্ত সেবা পাওয়ায় সাধারণ মানুষ অত্যন্ত আনন্দিত।

​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আল আমিন কবির নিয়মিত গণশুনানির জন্য ‘মৃত্তিকা মায়া’নামে হেল্প ডেস্ক চালু করেন। তাছাড়া তার অফিসের দরজা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রেখে সরাসরি সেবাগ্রহীতাদের অভাব-অভিযোগ শুনছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা সমাধান করছেন। ডিজিটাল ভূমি সেবাকে গতিশীল করতে ই-নামজারি এবং অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত ও সচেতন করে তুলছেন তিনি। সরকারের ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা শতভাগ বাস্তবায়নে তার এই তৎপরতা ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।

​এলাকার সচেতন মহল মনে করেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার সদিচ্ছা এবং সততা যে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের পুরো চিত্র বদলে দিতে পারে, করিমগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিস তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল আমিন কবিরের এই কর্মদক্ষতা ও জনবান্ধব আচরণে প্রশাসনের ভাবমূর্তি যেমন উজ্জ্বল হয়েছে, তেমনি ভূমি সেবায় ফিরে এসেছে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।

যেকোনো স্থানে আইনভঙ্গ বা জনস্বার্থ বিঘ্নিত হওয়ার খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছেন। তাঁর এই ঝটিকা অভিযান ও কঠোর মনোভাবের কারণে অপরাধচক্র যেমন কোণঠাসা হয়ে পড়েছে, তেমনি স্বস্তি ফিরে এসেছে সাধারণ মানুষের মনে।

মাঠ প্রশাসনের একজন কর্মকর্তার এমন কর্মতৎপরতা ও সাহসিকতা উপজেলার সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করছে। জনস্বার্থে এই ভেজাল, মাদক ও পরিবেশ রক্ষামূলক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সর্বসাধারণ।

​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে করিমগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় আল আমিন কবিরের নেতৃত্বে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সফল অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

​এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল আমিন কবির বলেন, “ভূমি অফিসকে শতভাগ দুর্নীতি ও দালালমুক্ত রেখে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় দ্রুত ও স্বচ্ছতার সাথে সেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। সাধারণ মানুষ যেন কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়া তাদের ন্যায্য অধিকার ও সেবা পান, সেজন্য আমাদের এই আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”