অদম্য মেধা ও স্বপ্ন নিয়ে চায়না মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার তমালতলা কাকফো গ্রামের কৃতি সন্তান মোছাঃ ফাতেমা খানম। তবে আর্থিক সংকটের কারণে উচ্চশিক্ষার সেই স্বপ্ন অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। শেষ পর্যন্ত মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় ফাতেমার স্বপ্ন এখন বাস্তবায়নের পথে।
ফাতেমা খানমের চায়না মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও পড়াশোনার প্রাথমিক ব্যয় নির্বাহের বিষয়টি জানতে পেরে সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন নাটোর-০১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল। তাঁর উদ্যোগে ফাতেমার শিক্ষাজীবন এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা অনুদানের ব্যবস্থা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট ২০২৬) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ হাতে অনুদানের অর্থ ফাতেমা খানমের হাতে তুলে দেন বলে জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। অর্থের অভাবে যাতে মেধাবী কোনো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ থেমে না যায়, সে ক্ষেত্রে এই সহযোগিতা একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
ফাতেমা খানমের পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল এমপির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ফাতেমার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে আরও অর্থের প্রয়োজন হলে প্রধানমন্ত্রী ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানানো হয়।
নাটোর-০১ আসনের সর্বস্তরের মানুষের পক্ষ থেকে ফাতেমার উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
মেধার মূল্যায়ন ও আর্থিক সংকটের কারণে থেমে যেতে বসা একটি স্বপ্নকে এগিয়ে নেওয়ার এই উদ্যোগ ফাতেমার মতো আরও অনেক শিক্ষার্থীর জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
আলফাত হোসেন, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট 

























