ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সন্তানদের অবহেলায় রাস্তায় আশ্রয়, পলিথিনের ঘরেই কাটছে ৭০ বছরের বৃদ্ধার জীবন

সন্তানদের অবহেলায় রাস্তায় আশ্রয়, পলিথিনের ঘরেই কাটছে ৭০ বছরের বৃদ্ধার জীবন

ঢাকার ধামরাই উপজেলার মুন্নু সিরামিকস সংলগ্ন সড়কের পাশে একটি পলিথিনে মোড়ানো ছোট্ট ঘর। এটাই এখন প্রায় ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা নারীর একমাত্র আশ্রয়। জানা গেছে, তাঁর বাড়ি রংপুর জেলায়। তবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, বৃদ্ধার ছেলে-মেয়েরা তাঁর কোনো খোঁজখবর নেন না। অসহায় এই নারী বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশেই পলিথিন, বাঁশ ও ত্রিপল দিয়ে ছোট্ট একটি ঘর তৈরি করে বসবাস করছেন। প্রতিদিন অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটছে তাঁর জীবন। খাবার, চিকিৎসা এবং নিরাপদ আশ্রয়ের মতো মৌলিক চাহিদাগুলোও পূরণ হচ্ছে না।
বর্ষার বৃষ্টি, তীব্র গরম কিংবা ঝড়ো আবহাওয়া, সবকিছুর মধ্যেই একই জায়গায় জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এমন করুণ দৃশ্য দেখে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, সমাজের বিত্তবান মানুষ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত মানবিক সহায়তা প্রয়োজন।
একজন মা সারাজীবন সন্তানদের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অথচ জীবনের শেষ প্রান্তে এসে যদি তাঁকেই রাস্তায় আশ্রয় নিতে হয়, তবে তা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্যই বেদনাদায়ক চিত্র।
মানবিক আবেদন: যদি তথ্যগুলো সঠিক হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং মানবিক সংগঠনগুলোর প্রতি অনুরোধ, এই অসহায় বৃদ্ধার পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর নিরাপদ আশ্রয়, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করা হোক। একটি সামান্য সহযোগিতাই তাঁর জীবনের শেষ সময়টুকু কিছুটা স্বস্তিদায়ক করে তুলতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

সন্তানদের অবহেলায় রাস্তায় আশ্রয়, পলিথিনের ঘরেই কাটছে ৭০ বছরের বৃদ্ধার জীবন

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

ঢাকার ধামরাই উপজেলার মুন্নু সিরামিকস সংলগ্ন সড়কের পাশে একটি পলিথিনে মোড়ানো ছোট্ট ঘর। এটাই এখন প্রায় ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা নারীর একমাত্র আশ্রয়। জানা গেছে, তাঁর বাড়ি রংপুর জেলায়। তবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, বৃদ্ধার ছেলে-মেয়েরা তাঁর কোনো খোঁজখবর নেন না। অসহায় এই নারী বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশেই পলিথিন, বাঁশ ও ত্রিপল দিয়ে ছোট্ট একটি ঘর তৈরি করে বসবাস করছেন। প্রতিদিন অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটছে তাঁর জীবন। খাবার, চিকিৎসা এবং নিরাপদ আশ্রয়ের মতো মৌলিক চাহিদাগুলোও পূরণ হচ্ছে না।
বর্ষার বৃষ্টি, তীব্র গরম কিংবা ঝড়ো আবহাওয়া, সবকিছুর মধ্যেই একই জায়গায় জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এমন করুণ দৃশ্য দেখে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, সমাজের বিত্তবান মানুষ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত মানবিক সহায়তা প্রয়োজন।
একজন মা সারাজীবন সন্তানদের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অথচ জীবনের শেষ প্রান্তে এসে যদি তাঁকেই রাস্তায় আশ্রয় নিতে হয়, তবে তা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্যই বেদনাদায়ক চিত্র।
মানবিক আবেদন: যদি তথ্যগুলো সঠিক হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং মানবিক সংগঠনগুলোর প্রতি অনুরোধ, এই অসহায় বৃদ্ধার পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর নিরাপদ আশ্রয়, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করা হোক। একটি সামান্য সহযোগিতাই তাঁর জীবনের শেষ সময়টুকু কিছুটা স্বস্তিদায়ক করে তুলতে পারে।