ঢাকা ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সড়ক দখল করে তাড়াশে ধানের হাট: শিক্ষার্থী ও অ্যাম্বুলেন্সসহ চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

​সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বিনসাড়ায় পেরিফেরির (নির্ধারিত) নির্দিষ্ট জায়গা থাকা সত্ত্বেও অবৈধভাবে আঞ্চলিক সড়ক দখল করে বসানো হচ্ছে ধানের হাট। তাড়াশ–রানিরহাট গুরুত্বপূর্ণ এই আঞ্চলিক সড়কের ওপর হাট বসায় সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট, যার ফলে নিত্যদিন চরম ভোগান্ত পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিনসাড়া ধানের হাটের জন্য সরকারের নির্ধারিত জায়গা (পেরিফেরি) রয়েছে। কিন্তু একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী ও ইজারাদারের উদাসীনতায় হাট পেরিফেরি ছেড়ে সড়কের ওপর চলে এসেছে। তাড়াশ–রানিরহাট সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ততম একটি পথ। হাটের দিনগুলোতে সড়কজুড়ে ধানবোঝাই নসিমন, করিমন, ট্রলি ও ভ্যান এলোমেলোভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। এতে যান চলাচল পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে যায়।
​সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন স্কুল-কলেজগামী কোমলমতি শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী সাধারণ মানুষ। সময়মতো তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—জরুরি চিকিৎসাসেবার জন্য চলাচলকারী রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সও এ যানজটে পড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকছে, যা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে চরম অগ্রহণযোগ্য।
​স্থানীয় ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, হাটের নির্দিষ্ট জায়গা খালি ফেলে রেখে সড়ক বন্ধ করে ব্যবসা চালানো কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
​এ বিষয়ে দ্রুত সড়কটি দখলমুক্ত করে সরকার নির্ধারিত স্থানে ধানের হাট স্থানান্তরের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিনসাড়াবাসী।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

সড়ক দখল করে তাড়াশে ধানের হাট: শিক্ষার্থী ও অ্যাম্বুলেন্সসহ চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

আপডেট সময় : ০২:৫৪:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

​সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বিনসাড়ায় পেরিফেরির (নির্ধারিত) নির্দিষ্ট জায়গা থাকা সত্ত্বেও অবৈধভাবে আঞ্চলিক সড়ক দখল করে বসানো হচ্ছে ধানের হাট। তাড়াশ–রানিরহাট গুরুত্বপূর্ণ এই আঞ্চলিক সড়কের ওপর হাট বসায় সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট, যার ফলে নিত্যদিন চরম ভোগান্ত পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিনসাড়া ধানের হাটের জন্য সরকারের নির্ধারিত জায়গা (পেরিফেরি) রয়েছে। কিন্তু একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী ও ইজারাদারের উদাসীনতায় হাট পেরিফেরি ছেড়ে সড়কের ওপর চলে এসেছে। তাড়াশ–রানিরহাট সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ততম একটি পথ। হাটের দিনগুলোতে সড়কজুড়ে ধানবোঝাই নসিমন, করিমন, ট্রলি ও ভ্যান এলোমেলোভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। এতে যান চলাচল পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে যায়।
​সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন স্কুল-কলেজগামী কোমলমতি শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী সাধারণ মানুষ। সময়মতো তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—জরুরি চিকিৎসাসেবার জন্য চলাচলকারী রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সও এ যানজটে পড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকছে, যা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে চরম অগ্রহণযোগ্য।
​স্থানীয় ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, হাটের নির্দিষ্ট জায়গা খালি ফেলে রেখে সড়ক বন্ধ করে ব্যবসা চালানো কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
​এ বিষয়ে দ্রুত সড়কটি দখলমুক্ত করে সরকার নির্ধারিত স্থানে ধানের হাট স্থানান্তরের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিনসাড়াবাসী।