ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শৈত্যপ্রবাহ উপেক্ষা করে আত্রাইয়ে ইরি-বোরো রোপণে ব্যস্ত কৃষকরা

শৈত্যপ্রবাহ উপেক্ষা করে আত্রাইয়ে ইরি-বোরো রোপণে ব্যস্ত কৃষকরা

ঘন কুয়াশা ও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ উপেক্ষা করে নওগাঁ জেলায় পুরোদমে চলছে ইরি-বোরো ধান রোপণ। জেলার ১১টি উপজেলার মাঠে মাঠে চারা রোপণ ও জমি তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শীত ও কুয়াশার কারণে কিছুটা বিলম্ব হলেও সম্প্রতি দুপুরে রোদ দেখা দেওয়ায় কৃষকরা মাঠে নেমে পড়েছেন। গভীর নলকূপের মাধ্যমে সেচ দিয়ে চলছে চারা রোপণের কাজ। এ বছর বীজতলায় উল্লেখযোগ্য ক্ষতি না হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।

রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলার কয়েকজন কৃষক জানান, তীব্র শীতের কারণে আগে চারা রোপণ সম্ভব হয়নি। তবে এখন অনুকূল আবহাওয়ায় শত শত কৃষক একযোগে ধান লাগাতে ব্যস্ত।

আত্রাই উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, বোরো আবাদে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তারের উপপরিচালক আবুল কালাম আজাদ জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ জমিতে রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার বোরো উৎপাদন ভালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

শৈত্যপ্রবাহ উপেক্ষা করে আত্রাইয়ে ইরি-বোরো রোপণে ব্যস্ত কৃষকরা

আপডেট সময় : ১০:১৪:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঘন কুয়াশা ও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ উপেক্ষা করে নওগাঁ জেলায় পুরোদমে চলছে ইরি-বোরো ধান রোপণ। জেলার ১১টি উপজেলার মাঠে মাঠে চারা রোপণ ও জমি তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শীত ও কুয়াশার কারণে কিছুটা বিলম্ব হলেও সম্প্রতি দুপুরে রোদ দেখা দেওয়ায় কৃষকরা মাঠে নেমে পড়েছেন। গভীর নলকূপের মাধ্যমে সেচ দিয়ে চলছে চারা রোপণের কাজ। এ বছর বীজতলায় উল্লেখযোগ্য ক্ষতি না হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।

রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলার কয়েকজন কৃষক জানান, তীব্র শীতের কারণে আগে চারা রোপণ সম্ভব হয়নি। তবে এখন অনুকূল আবহাওয়ায় শত শত কৃষক একযোগে ধান লাগাতে ব্যস্ত।

আত্রাই উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, বোরো আবাদে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তারের উপপরিচালক আবুল কালাম আজাদ জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ জমিতে রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার বোরো উৎপাদন ভালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।